প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৭:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বলিউডে পথচলার তিন দশকেরও বেশি সময় অতিক্রম করেছেন নন্দিত অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। কিশোরী বয়সে শোবিজে পা রাখা এই তারকা মনে করেন, একজন শিল্পীর শেখার কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা শেষ নেই। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে ক্রমাগত বদলে নেওয়াই একজন অভিনেতার জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘বোম্বে টাইমস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ার, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের অভিজ্ঞতা এবং শৈশবের বিভিন্ন স্মৃতি শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।
কারিশমা বলেন, "অভিনয় মানেই প্রতিদিন নতুন রূপ ধারণ করা। শুধু প্রতিটি সিনেমা নয়, প্রতিটি দিনই আমাকে নিত্যনতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। শুটিং সেট ও চারপাশের মানুষদের থেকে প্রতিনিয়ত শিখেছি। এই নিয়মিত শেখার মধ্য দিয়েই মূলত একজন শিল্পীর পূর্ণ বিকাশ ঘটে।"
মাত্র ১৬ বছর বয়সে 'প্রেম কায়েদি' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল কারিশমার। ১৭তম জন্মদিনের ঠিক চার দিন আগে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর প্রথম ছবি। নিজের এই পথচলা স্মরণ করে তিনি বলেন, "খুব ছোটবেলা থেকেই আমি কাজ করছি, ফলে চলচ্চিত্র অঙ্গনেই আমার বেড়ে ওঠা। জীবনের অভিজ্ঞতা ও চড়াই-উতরাই থেকে অনেক শিক্ষা পেয়েছি। কখনো পরিকল্পনা করে ক্যারিয়ার গড়িনি, নিজের ভেতরের তাড়নাকে গুরুত্ব দিয়েছি।"
সম্প্রতি ‘মেন্টালহুড’ ও ‘ব্রাউন’-এর মতো জনপ্রিয় ওটিটি সিরিজে কাজ করা কারিশমা জানান, ওটিটির কাজের ধরন ঐতিহ্যগত সিনেমার চেয়ে অনেক আলাদা এবং কঠিন। ওটিটিতে একই দিনে চিত্রনাট্যের প্রথম পর্বের দৃশ্য ধারণের পাশাপাশি হয়তো সপ্তম পর্বের অভিনয়ও শেষ করতে হয়, যা মানিয়ে নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং।
বর্তমানে টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়াজ বেস্ট ড্যান্সার’-এর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই তারকা নাচের প্রতি নিজের আবেগের কথা জানাতে গিয়ে শৈশবের স্মৃতি রোমান্থন করেন। তিনি বলেন, "ছোটবেলায় আমি প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবীর বিশাল ভক্ত ছিলাম। আমি আর কারিনা (কারিনা কাপুর খান) বাবা-মায়ের সামনে শ্রীদেবীর 'তাথাইয়া তাথাইয়া' কিংবা 'নয়নো মে সপ্না' গানে নাচতাম। আমাদের কাপুর পরিবারেই নাচের একটা ঐতিহ্যবাহী ধারা ছিল।"
পারিবারিক ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত আবেগ থেকেই আজও নিজেকে অভিনয়ে সক্রিয় রেখেছেন 'রাজা হিন্দুস্তানি' খ্যাত এই অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন