প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৪:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনী গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ একজন সেনা সদস্যকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলে। প্রশিক্ষণ শেষে নতুন জীবনে পদার্পণকারী অফিসারদের দায়িত্ব আরও বেশি—এ কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি দক্ষ, চৌকস ও মেধাবী সেনা অফিসার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তিন বছর মেয়াদি কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী। এছাড়া বিদেশি ক্যাডেটদের মধ্যে ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের মোট সাতজন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
কুচকাওয়াজে সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ ও সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম। বিদেশি ক্যাডেটদের মধ্যে তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ লাভ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন অফিসারদের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয় এবং অভিভাবকরা তাদের র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন। পরবর্তীতে সেনাপ্রধান বিএমএ-তে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’সহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন