মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১৪ ১৪২৭   ১১ সফর ১৪৪২

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২৪১

ঢাকা-১৮ আসনে মুক্তিযোদ্ধাদের পছন্দের প্রার্থী ডা: আব্দুল ওয়াদুদ

তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০  

আসন্ন উপ- নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের জাতীয় সংসদের একক প্রতিনিধি হিসেবে ডা: আব্দুল ওয়াদুদকে দেখতে চায় মুক্তিযোদ্ধারা। শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের সকল দাবী দাওয়া এ সরকার পূরন করে আসছে। ডা: আব্দুল ওয়াদুদকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে জাতীয় সংসদে একক প্রতিনিধি হিসেবে দেখার দাবীও শেখ হাসিনা পূরন করবে বলে আশা করছেন মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশ জাতীয় সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে অনেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সদস্য থাকলেও স্বাধীনতা সপক্ষের রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের সংকট মূহূর্তে তেমন ভূমিকা রাখতে পারেনি। ডা: আব্দুল ওয়াদুদ বঙ্গবন্ধু আদর্শের একনিষ্ট, বিশ্বস্ত ও পরিক্ষিত কর্মি ছিলেন। দু:সময়ে শেখ হাসিনার পাশে ডা: আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বস্ত আমগার্ড হিসেবে যেমন ছিলেন তেমনি ভাবে শেখ হাসিনার পাশে থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্নের স্বার্থে ডা: আব্দুল ওয়াদুদকে প্রতিনিধি হিসেবে পেতে একতাবদ্ধ। 

এক নজরে ড. আব্দুল ওয়াদুদ এর বর্ণাট্য জীবন: বঙ্গবন্ধু আদর্শের ্একনিষ্ট কর্মি শেখ হাসিনার স্নেহধন্য ডা. আব্দুল ওয়াদুদ মুক্তিযোদ্ধা ও মুুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের অহংকার। তিনি ইংরেজীতে অনার্স, এম এ, পিইচডি ডিগ্রিধারী একজন উচ্চ শিক্ষিত নিরঅহংকারী বিত্তবান ব্যক্তি। দেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবে ডা. আব্দুল ওয়াদুদ একটি সু পরিচিত নাম। বাঙালী জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা ও এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ডা. আব্দুল ওয়াদুদ এক বিরল প্রতিভার অধিকারী, বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ফিকামলি তত্বের জনক, শিক্ষাবীদ, লেখক, গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ক্রিড়া সংগঠক, ফিজিক্যাল ফিটনেস ও  ওয়াইল্ড লাইফ বিশেষজ্ঞ। তিনি রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জনমত সংগঠক। তার প্রতিষ্ঠিত ফিকামলি সেন্টার ও প্লাটিনাম জিম, মিনি চিড়িয়াখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ দেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যুব সমাজের জন্য ডা. আব্দুল ওয়াদুদের সময়োপযোগী স্লোগান " মাঠে আসে” “ জিমে যাও” “মাদক থেকে দুরে রও”। দলের দু:সময়ে ডা. আব্দুল ওয়াদুদ শেখ হাসিনার সাথে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন এক অকুতভয় সৈনিক। তিনি ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী সেলিম দেলোয়ার যেদিন ট্রাকের তলায় পিষ্ঠ হয়ে নিহত হন সেদিন উক্ত মিছিলে আহত হয়ে দীর্ঘ এক মাস ডা. আব্দুল ওয়াদুদ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছেন। তিনি একজন মৃত্যুঞ্জয়ী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

সততার প্রতিক এডভোকেট সাহারা খাতুনের স্নেহধন্য ডা. আব্দুল ওয়াদুদ দূর্নীতির বিরুদ্ধে সদা সোচ্ছার ও বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের সাদামনের মানুষ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একনিষ্ঠ, বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত কর্মি। যিনি আওয়ামীলীগ সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের ব্যাপারে ব্যাপক জনমত গড়তেন। দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়ান নিজ ব্যয় ও ব্যক্তিগত উদ্ব্যোগে। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মেরা ডা. আব্দুল ওয়াদুরের সাথে একতাবদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী দাওয়ার ব্যাপারে মাঠে ঘাঠে- হাটে বাজারে- গ্রাম- গঞ্জে এবং শহরে- নগরে সভা সমাবেশে ভূমিকা রাখেন। ডা. আব্দুল ওয়াদুদ মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যথেষ্ঠ সমাদৃত এক প্রানের মানুষ।  মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তার গবেষনা, মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস উদঘাটন ও সংরক্ষন এদেশে ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখছে।  নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে পৌছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে চলা এক ফেরিওয়ালার নাম ডা. আব্দুল ওয়াদুদ। নিরহংকারী বিত্তবান ডা. আব্দুল ওয়াদুদের ব্যক্তি জীবনে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট ক্ষমতায় আছেন এটাই তার পরম পাওয়া। দলের দু:সময়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যার পাশে যেমন বিশ্বস্ত অ্যামগার্ড হিসেবে ডা.আব্দুল ওয়াদুদ ছিলেন জীবনের বাকিটা সময় বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে বিশ্বস্ততার সহিত থেকে শেখ হাসিনার হাত কে আরো শক্তিশালী করতে পারবে এমন দৃড় বিশ্বাস মুক্তিযোদ্ধাদের। 

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বধানকারী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন সরকার বর্তমানে ক্ষমতাসীন। এ সরকার মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সরকার।  জাতীয় সংসদে অনেক মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও তারা মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী- দাওয়ার ব্যাপারে তেমন সোচ্ছার নয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মেরা ডা. আব্দুল ওয়াদুদকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে জাতীয় সংসদের একক প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায়। আসন্ন উপ- নির্বাচনে ঢাকা ১৮ আসনে ডা. আব্দুল ওয়াদুদের মত মেধাবী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, আপাদমস্তক সৎ যোগ্য, উচ্চশিক্ষিত ক্লিন ইমেজের মানুষ ডা. আব্দুল ওয়াদুদের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা ও জোর দাবী করছে জাতীয় সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন। 

ডা. আব্দুল ওয়াদুদ মুসলিম পরিবারের সভ্রান্ত সন্তান। পিতা অধ্যাপক আব্দুল হালিম উকিল ছিলেন ভান্ডারিয়া সরকারী কলেজের প্রিন্সিপাল। তিনি দক্ষিন বাংলায় মুক্তিযোদ্ধাদের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ডা. আব্দুল ওয়াদুর এর পৈত্রিক ভিটা ও কাচারী ঘর মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। 

এই বিভাগের আরো খবর