প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৮:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট মজুদ ২৯ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এখনো অবশিষ্ট রয়েছে, যা বর্তমান হারে ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আনুমানিক আরও ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী জানান, উত্তোলনযোগ্য মোট গ্যাস মজুদের মধ্যে ইতোমধ্যে ২২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে, যার হিসাব ধরা হয়েছে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অবশিষ্ট ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ভিত্তিতে (১ জানুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী) বর্তমান দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ অব্যাহত থাকলে এই মজুদ প্রায় ১২ বছর চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে এই মজুদই মূলত দেশের ভবিষ্যৎ সরবরাহের ভিত্তি হবে।
গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, পেট্রোবাংলার আওতায় কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৫০ ও ১০০টি কূপ খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন হয়েছে, এবং বাকি কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।
এছাড়া ভূকম্পন জরিপ (সাইসমিক সার্ভে) কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩,৬০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক ডাটা সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তা প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা এলাকায় ১,৪৫০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক ডাটা সংগ্রহের প্রস্তুতি চলছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ পরিচালনার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন