সোমবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৭ ১৪৩২   ২১ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩৩

ভোটকেন্দ্রে ফোন নেওয়ার নিষেধাজ্ঞা না উঠলে ইসি ঘেরাও: নাহিদ ইসলাম

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

 

ভোটকেন্দ্রের চারপাশে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক বিধিনিষেধকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতির মাঠ। এই সিদ্ধান্তকে ‘পক্ষপাতমূলক’ আখ্যা দিয়ে ইসি ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।

 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

 

রোববার ইসি কর্তৃক জারিকৃত এক নির্দেশনায় জানানো হয়, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও নির্দিষ্ট কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য ছাড়া কেউ ফোন রাখতে পারবেন না। এই নির্দেশনার তীব্র বিরোধিতা করে নাহিদ ইসলাম বলেন,

‘ইলেকশন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে যেতে পারবে না। আজকে সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধিবিধান পরিবর্তন না করলে আগামীকাল ইলেকশন কমিশন ঘেরাও করা হবে।’

 

তিনি নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়ে আরও বলেন,

‘ইলেকশন কমিশন পক্ষপাতিত্ব করলে ফ্যাসিস্ট আমলের ইলেকশন কমিশনের যে অবস্থা হয়েছিল, তার চেয়েও ভয়াবহ হবে।’

 

বক্তব্যে কেবল ইসি নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু বেসরকারি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপি প্রধান। তার মতে, গণমাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখছে না। তিনি মন্তব্য করেন:

‘আমরা দেখতে পাচ্ছি অনেক বেসরকারি গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলের নির্বাচনের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। কিন্তু অনেকেরটা তারা নিচ্ছে না। এমন আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, তাদের কেউ বাধ্য করছে এবং যদি কেউ বাধ্য না করে থাকে, তাহলে ধরে নেব তারা নিজেরাই দালালি করছে।’

 

নির্বাচনী লড়াইয়ের ঘোষণা দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে জানান, কোনোভাবেই ভোটকেন্দ্র দখল বরদাস্ত করা হবে না। সমর্থকদের দিকনির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন,

‘এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল করা হলে লাঠি হাতে দখলদারদের প্রতিহত করা হবে।’

 

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী কেবল ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী নির্ধারিত নিরাপত্তা কর্মী ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনকালে ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সাধারণ ভোটার ও অন্যান্য কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে, যা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে।

এই বিভাগের আরো খবর