গাজা সঙ্কটে দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি
মাইকেল কুগেলম্যান
প্রকাশিত: ২১ মে ২০২১
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দুই সপ্তাহ ধরে চলমান যুদ্ধ অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে। কিন্তু এ প্রশ্ন করা এখন যথার্থ যে, এই সঙ্কট দক্ষিণ এশিয়ার ওপর কি প্রভাব ফেলবে। এই দক্ষিণ এশিয়ার রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সীমান্ত। বিশেষ করে ইসরাইলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আছে ভারত ও নেপালের। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে ভুটান। এরই মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে পাকিস্তান ফিলিস্তিন ইস্যুতে চ্যাম্পিয়ন। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে এই যুদ্ধ ভয়াবহ। এ থেকে ভারত ও পাকিস্তানের জন্য কিছু কূটনৈতিক সম্ভাব্যতা সামনে চলে এসেছে।
উভয় দেশই এই সঙ্কট সমাধানে সহায়তা করার একটি ভূমিকা পালনের মতো অবস্থানে এসেছে। ২০১৪ সালে গাজা উপত্যকায় সর্বশেষ যে বড় সঙ্কট দেখা দিয়েছিল এবার তার চেয়ে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। ফলে এ অঞ্চলে আরো বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। সহিংস প্রতিবাদ ও হামলার ঘটনা ঘটছে।
ফিলিস্তিন এবং ইসরাইল উভয় দেশের সঙ্গে ভারত ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করেছে। তারা দুই পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক উন্নত করেছে। ফলে উভয় দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দিক থেকে জড়িত হওয়ার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ রয়েছে ভারতের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে ভারত ও ইসরাইলের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৮ সালে এ দুটি দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের। ২০১৭ সালে প্রথম ক্ষমতাসীন একজন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরাইল সফরে যান মোদি।
তবে ফরেন পলিসি’র সুমিত গাঙ্গুলী এবং নিকোলাস ব্লারেল এ সপ্তাহে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কে টান টান একটি রাজনৈতিক রশির ওপর দিয়ে হাঁটছেন মোদি। গুরুত্ব দিয়ে তাকে মনে রাখতে হচ্ছে যে, ফিলিস্তিনিদের ইস্যুতে দীর্ঘদিন সমর্থন দিয়ে আসছে ভারত। ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গাঢ় হওয়া সত্ত্বেও সেই অবস্থান থেকে ফিরে আসেনি ভারত। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনও সফর করেছেন মোদি।
এটা বিস্মিত হওয়ার মতো বিষয় নয় যে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতীয় দূত এ সপ্তাহে এই যুদ্ধ নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে তিনি ফিলিস্তিনিদের সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন। ইসরাইলের শক্তি ব্যবহারকে তিনি প্রতিশোধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ভারত যে ফিলিস্তিনিদের দাবি এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমস্যার সমাধানে শক্তিশালীভাবে সমর্থন করে এ বিষয়টি তিনি জোর দিয়ে তুলে ধরেছেন। উভয় পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার মাধ্যমে এই সঙ্কটে একটি ভাল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজে অবস্থান করে নিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত কিভাবে এই ভূমিকা পালন করতে পারে গত বছর তা জাতিসংঘ দেখিয়ে দিয়েছে। এ জন্য পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও অন্য সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল নয়া দিল্লিতে।
২০১৪ সালের তুলনায় এবারের সঙ্কটে ভারতের কূটনৈতিক সুবিধা অনেক বেশি শক্তিশালী। কারণ, ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ২০১৪ সালের সঙ্কটের সময়ের পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিল না। কারণ, পাকিস্তানের ভিতরেই ছিল নানা সমস্যা। বিশেষ করে সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তান এখন ফিলিস্তিনিদের দুর্দশায় আরো সমর্থন গড়ে তুলতে কাজ করতে পারে। মাঝে মাঝেই তারা বৈশ্বিক ফোরামে এসব বিষয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকে। কাশ্মীরিদের পক্ষে দীর্ঘদিনের পরামর্শের মতো না হয়ে, ফিলিস্তিন ইস্যু এখন আন্তর্জাতিক দুনিয়াতে উল্লেখ করার মতো নজরে এসেছে। এরই মধ্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। যুদ্ধ নিয়ে এরই মধ্যে তিনি কথা বলেছেন ফিলিস্তিন, মিশর, সৌদি আরব, চীন, আফগানিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে। এ সপ্তাহের শুরুতে তিনি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের বিশেষ অধিবেশনে ফিলিস্তিন সঙ্কট নিয়ে কথা বলতে সফর করেছেন ফিলিস্তিন এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে। গাজা সঙ্কট এমন সম্ভাবনা নিয়ে আসতে পারে যে, ইসরাইলের সঙ্গে পরবর্র্তীতে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে পাকিস্তানের। পাকিস্তানি এবং ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ২০০৫ সালে প্রকাশ্যে সাক্ষাতে মিলিত হয়েছিলেন তুরস্কে। কিন্তু পাকিস্তান তার অবস্থান পরিষ্কার করে বলে দেয় যে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু তবেই তারা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে। কিন্তু গাজা উপত্যকায় যে হামলা হয়েছে, তাতে ইসরাইলের সঙ্গে ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে এমনটা বিশ্বাস করা কঠিন।
এমন অবস্থায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এই উত্তেজনা ইসলামি কট্টর ফিলিস্তিনপন্থি প্রতিবাদ বিক্ষোভকে সহিংস করে তুলতে পারে। এখনও এ অঞ্চলে যেসব প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে বা হচ্ছে তা শান্তিপূর্ণ। কিন্তু কাশ্মীরে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে দমনপীড়ন চালাচ্ছে ভারতের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। এ অবস্থায় শুক্রবার একটি পরীক্ষার মুখে পাকিস্তান। শাহ মাহমুদ কুরেশি এদিন সারাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ডেকেছেন। কিন্তু এই ডাকে ধর্মীয় উগ্রপন্থিরাও বেরিয়ে আসতে পারে- যারা গত মাসে চারজন ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং কয়েক শত বিক্ষোভকারীকে আহত করেছে।
সন্ত্রাস হলো আরো একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি। গত ১৭ই মে আল কায়েদার মিডিয়া উইং থেকে এক বিবৃতিতে ইহুদি এবং তাদের মিত্রদের ওপর হামলা চালাতে আহ্বান জানিয়েছে মুসলিমদের প্রতি। এই হুমকি ভারতের জন্য বিশেষ করে উদ্বেগের। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ায় ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হলো ভারত এবং এখানে স্বল্প সংখ্যক ইহুদি আছে। আরো বিস্তৃতভাবে বলা যায়, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইল যে বেপরোয়া সহিংসতা চালাচ্ছে তাতে এ অঞ্চলের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে উৎসাহিত করবে, ইসরাইল ও ইহুদি টার্গেটগুলোতে হামলায় উৎসাহ যোগাবে। এ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ইসরাইলির অবস্থান ভারত ও নেপালে।
এর আগে গাজায় বড় সংঘর্ষের পর থেকে আফগানিস্তান বাদে দক্ষিণ এশিয়ায় সহিংস সন্ত্রাস কমে এসেছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাইলের সহিংসতার যে ভয়াবহ ছবি প্রচার হচ্ছে, তাতে এ অঞ্চলে কট্টর ধর্মীয় দলগুলোর প্রসারণ এবং ইসলাম বিরোধিতা সহিংস প্রতিবাদের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে তা আরো বেশি যদি ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন সঙ্কট অব্যাহত থাকে। দক্ষিণ এশিয়া গাজা সংঘাতের কোনো অংশ নয়। তবু এই অঞ্চল এর ফলে অস্থিতিশীল এক অবস্থায় যাওয়ার ঝুঁকি আছে।
(লেখক সাপ্তাহিক দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ফরেন পলিসি’র একজন লেখক। তিনি উইলসন সেন্টার, ওয়াশিংটনে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক এশিয়া প্রোগ্রামের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং সিনিয়র এসোসিয়েট। তার এই লেখাটি অনলাইন ফরেন পলিসিতে প্রকাশিত। সেখান থেকে অনুবাদ)
- ৬০ লক্ষ দোকান কর্মচারীরা ঈদ বোনাস ও ওভারটাইম ভাতা চান- এনএসইএফ
- চরকাজলে স্কুলসংলগ্ন দোকানের পিছন থেকে গাঁজা গাছ উদ্ধার
- ভারতীয় স্পাইসজেটকে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
- আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব বিচারক সাজ্জাদ
- সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী
- গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
- ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- তারেক রহমানের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ
- দায়িত্ব নিয়েই মৌলভীবাজারে সফরে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী:আরিফুল
- চা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা; সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ
- হিমাগারের অভাবে মৌলভীবাজারের কৃষকেরা বিপাকে
- টেক্সটাইল খাতে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বুটেক্সে সেমিনার
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন
- বিধ্বস্ত অর্থনীতিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করব: মির্জা ফখরুল
- সৌদি-বাংলাদেশ: ৩ ঘণ্টার ব্যবধান, কিন্তু ঈদে কেন ১ দিনের পার্থক্য?
- শিক্ষা নিয়ে দলীয় রাজনীতি নয়, রাষ্ট্র গড়ব শিক্ষা দিয়ে: ববি হাজ্জাজ
- জানুয়ারিতে ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৭ নিহত, ১১৯৪ আহত
- বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশে স্বর্ণ ভরিতে দাম কমলো
- এআই স্বাস্থ্য তথ্যে ভুল, বিভ্রান্তির ঝুঁকি বাড়ছে
- টপ র্যাঙ্ক ও ১৯২ প্লাস স্ট্রাইক রেটেও টানা তিন শূন্য অভিষেক
- টপ র্যাঙ্ক ও ১৯২ প্লাস স্ট্রাইক রেটেও টানা তিন শূন্য অভিষেক শর্ম
- রোজা রেখে নখ ও চুল-দাড়ি কাটা যাবে?
- দাড়ি ছাঁটলে জেল! কঠোর হচ্ছে তালেবান শাসন, বিপাকে নাপিতরা
- রমজানেই শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি
- অলিম্পিকের ১৫৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনছেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই
- আল-আকসায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনিকে নামাজের অনুমতি ইসরায়েলের
- ভারতে ৭০ দেশের নৌ মহড়ায় অংশ নিল বাংলাদেশ
- প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুর রহমান সানি
- রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিন দেবে সরকার
- সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশে স্বর্ণ ভরিতে দাম কমলো
- স্বর্ণের দাম সমন্বয়: ২২ ক্যারেটসহ অন্যান্য ক্যারেটেও কমেছে মূল্য
- নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন ড. মঈন খান
- ছোট হচ্ছে এবারের সরকার, বিএনপি`র মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা?
- পবিত্র রমজানে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ
- রোজা রেখে নখ ও চুল-দাড়ি কাটা যাবে?
- কমলগঞ্জ উপজেলা থেকে দুই সংসদ সদস্য : এলাকায় উৎসবের আমেজ
- কমলগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা
- দায়িত্ব নিয়েই মৌলভীবাজারে সফরে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী:আরিফুল
- দেশে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু বৃহস্পতিবার
- ১৮ ফেব্রুয়ারি না কি ১৯? রমজান শুরুর তারিখ নিয়ে ধোঁয়াশা
- নবীন-প্রবীণ সমন্বয়ে গঠন, টেকনোক্র্যাট কোটায় বেশ কয়েকজন
- রাশেদ খান পরাজিত, প্রতিশ্রুতি রক্ষার অঙ্গীকার করলেন
- ফাগুনের প্রথম দিন ও ভালোবাসা দিবস আজ
- দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্বশীল ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন
- সংসদ সদস্য হলে যেসব অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পাওয়া যায়
- চলচ্চিত্র আর্কাইভে সংরক্ষিত হলো ‘কাগজ’ সিনেমার মাটির পোস্টার
- মির্জা ফখরুল: নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, ১৫ তারিখে সরকার
- গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আইজিপি: ‘আমি পদত্যাগ করিনি’
- মন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় ড. মঈন খান
- কুরআন হাদিসে কাউকে ‘মুরগী চোরা’ বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি
- মহাকাশের জন্ম ও মৃত্যু - ড. মো: হোসেন মনসুর
- তরুণ কন্ঠের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম, শীঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা
- এইডস নিয়ে সচেতনতাই মূল লক্ষ্য
- গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ রেনিটিডিনে মিলল ক্যান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান
- প্রযুক্তির অধিক ব্যবহারের সাথে বেড়ে চলেছে অনলাইন প্রতারনা
- আইনের সঠিক ব্যবহার নাকি প্রয়োজন নতুন আইনের?
- বৃহৎ কার্যসিদ্ধির আদ্যপ্রান্তে!
- ইমান আর অনুভূতির জায়গা এক নয় : ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান
- রমজান মাস স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ উপহার
- ফরিদপুর সুগার মিল নিয়ে কিছু কথা - আমিনুল ইসলাম শান্ত
- বঙ্গবন্ধু ও কলকাতার বেকার হোস্টেল
- আপনিও দৈনিক তরুণ কণ্ঠে’র অংশ হয়ে উঠুন, লিখুন তরুণ কণ্ঠে
- ধর্ষণ,তোমার শেষ কোথায়?
- রাজনীতিকের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কোথায়? - সাজেদা মুন্নি
