বৃহস্পতিবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ৭ ১৪৩২   ০২ রমজান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৩

টপ র‍্যাঙ্ক ও ১৯২ প্লাস স্ট্রাইক রেটেও টানা তিন শূন্য অভিষেক

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিলেন অভিষেক শর্মা। গতকাল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হালনাগাদকৃত র‍্যাঙ্কিংয়েও তিনি শীর্ষে। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৯২.৪৩—টি-টোয়েন্টিতে ওপেনার হিসেবে অন্তত ৩০ ইনিংস খেলাদের মধ্যে সর্বোচ্চ। কিন্তু চলমান বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

 

অসুস্থতার কারণে নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাঁর স্কোর যথাক্রমে—০ (১ বল), ০ (৪ বল) ও ০ (৩ বল)। অর্থাৎ টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট। বিশ্বকাপ শুরুর আগে অনেকেই মনে করেছিলেন—অভিষেক শর্মা ২০০৭ সালে যুবরাজ সিংয়ের ছয় ছক্কার রেকর্ড স্মরণ করিয়ে দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বলছে—তিনি এখন পর্যন্ত শূন্য রানে আউট হওয়ার হ্যাটট্রিক করেছেন।

 

এক বছরে সর্বোচ্চ শূন্য রানে আউটের তালিকায় অভিষেক এ বছর মাত্র ৮ ইনিংসে ওপেন করে ৫ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। এটি টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর ওপেনারদের মধ্যে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথমে আছেন পাকিস্তানের সাইম আইয়ুব—গত বছর ২৫ ইনিংসে ৬ বার শূন্য রানে আউট।

 

অভিষেক যদি সুপার এইটে ভারতের প্রথম ম্যাচেও শূন্য রানে আউট হন, তাহলে টানা চার ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার নজিরে নাম লেখাবেন। এই তালিকায় এখনো চারজন আছেন। গাভাস্কারের পরামর্শ গতকাল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয়ের পর স্টার স্পোর্টসে সুনীল গাভাস্কার বলেন—“তার শট খেলার বৈচিত্র্য আছে। কিন্তু শুরুতেই চার-ছক্কা মারার চেষ্টা না করে এক-দুই ওভার সময় নিয়ে খেলা উচিত। চারটা বল ডট হলেও পরে পুষিয়ে নিতে পারবে। শুরুতে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে হবে।”

 

নাসের হুসেইনের মত ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন মনে করে ন সমস্যাটি কৌশলগতের চেয়ে বেশি মানসিক। আইসিসি ওয়েবসাইটে তিনি বলেন—“টানা তিনবার শূন্য রানে আউট হওয়াটা মানসিক ধাক্কা। সে তো বল মারার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ছিল। এখন সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করতে হবে।” অভিষেক জানেন—রেকর্ডটি তাঁকে চোখ রাঙাচ্ছে। সুপার এইটে ভারতের প্রথম ম্যাচে তিনি কীভাবে ঘুরে দাঁড়ান—সেটাই এখন দেখার।

এই বিভাগের আরো খবর