তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৭ মিনিট আগে, ০৫:৪৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

চাপে নয়, অ্যাভিয়েশন হাব করতেই কেনা হচ্ছে বোয়িং: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কোনো বৈদেশিক রাজনৈতিক চাপে পড়ে নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক এভিয়েশন খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এভিয়েশন খাতের এই বড় ক্রয়ের পেছনে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের প্রয়োজনীয় এয়ারক্রাফট ফ্লিট (উড়োজাহাজ বহর) নেই। ফ্লিটের সক্ষমতা না বাড়ালে আমরা নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু করতে পারব না, যার ফলে বৈশ্বিক ব্যবসায় পিছিয়ে পড়ব। বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে হলে রাজস্ব এবং যাত্রীসংখ্যা দুটিই বাড়াতে হবে, যার জন্য উড়োজাহাজ কেনা ছাড়া বিকল্প নেই।"

উদাহরণ দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি বিমান রয়েছে। বিপরীতে বাংলাদেশের আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি উড়োজাহাজের প্রয়োজনীয় চাহিদা রয়েছে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বোয়িং বা এয়ারবাস কিনতে হবে বাংলাদেশকে।

অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ তার ক্রয়ক্ষমতা ও সুনির্দিষ্ট চাহিদা বিবেচনা করেই কেনাকাটা সম্পন্ন করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, "ওয়াশিংটনের সাথে ঢাকার বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে বেইজিংয়ের সাথেও সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। এই বাণিজ্যিক বোঝাপড়া দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।"

মন্তব্য করুন