আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:৩২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

ইরানের জব্দ অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে, না হলে ডলারে আস্থা কমবে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের জব্দ করা অর্থ শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে হতে পারে। তার মতে, ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং ইরানের—এবং তা ফেরত না দিলে আন্তর্জাতিকভাবে ডলারের ওপর আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত G7 Summit শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে Anadolu Agency।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে এবং শেষ পর্যন্ত তা ফেরত দিতে হবে। তার ভাষায়, “এটা আমাদের অর্থ নয়, এটা তাদের অর্থ। আমরা একসময় এটি জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই অর্থ ফেরত না দিলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা ডলারে আস্থা হারাতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

একই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, ইরান যদি সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত মেনে চলে, তাহলে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোনো অর্থ দেবে না, তবে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “তারা সঠিকভাবে আচরণ করলে বিনিয়োগের পথ খুলে যাবে। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।”

প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় সামরিক কার্যক্রম বন্ধ, Strait of Hormuz পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ তৈরি করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মন্তব্য করুন