সোমবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৭ ১৪৩২   ২১ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২৪

ডাউনিং স্ট্রিটে কেলেঙ্কারি: স্টারমারের পদত্যাগের গুঞ্জন

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগ্রহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগ্রহীত

 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হতে পারেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, “লেবার পার্টির ভেতরেই স্টারমারের পদত্যাগ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে”, এবং এর মূল কারণ পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া সংক্রান্ত বিতর্ক।

 

ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নিয়ে সৃষ্টি হওয়া কেলেঙ্কারির পর প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফ মর্গান ম্যাকসুইনি ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “লেবার পার্টির অনেক এমপি অবাক হয়েছেন যে স্টারমার এখনও প্রধানমন্ত্রীর পদে আছেন”, কারণ তিনিই ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

 

ডাউনিং স্ট্রিটের ১০ নম্বর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা গোপনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের স্টারমারকে পদত্যাগে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি কেউ কেউ নিজের পদত্যাগের হুমকি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ত্বরান্বিত করার কথাও ভাবছেন। এক মন্ত্রীর উপদেষ্টা জানিয়েছেন, “আগামী সপ্তাহেই স্টারমারের পদত্যাগের সম্ভাবনা ‘পঞ্চাশ-পঞ্চাশ’।”

 

নিজের অবস্থান ধরে রাখতে স্টারমার সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনারকে আবার সরকারে ফিরিয়ে আনতে পারেন। রেইনার গত সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইংল্যান্ডে একটি ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি না দেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রিসভা ছেড়েছিলেন। এছাড়া জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডকেও গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

ব্রিটিশ গণমাধ্যম আরও কিছু সম্ভাব্য উত্তরসূরি কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছে।  তাদের মধ্যে রয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শাবানা মাহমুদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এবং তার উপমন্ত্রী অ্যালিস্টার কার্নস।

 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্টারমারের সম্ভাব্য পদত্যাগ মানে নতুন সাধারণ নির্বাচন হবে না; বরং লেবার পার্টির দলীয় ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচন করা হতে পারে, যিনি সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন। ২০২২ সালে কনজারভেটিভ পার্টি একইভাবে বরিস জনসন ও লিজ ট্রাসের পর এক বছরের মধ্যে দুইবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করেছিল।

এই বিভাগের আরো খবর