সোমবার   ০৫ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২২ ১৪৩২   ১৬ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho

এক যুগেও শেষ হয়নি তদন্ত, আবারও পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলা

রাফিউল ইসলাম তালুকদার

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২৬  

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় এ পর্যন্ত ১২৩ বার তারিখ পেছাল। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

এর আগে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আট জনকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল এবং আবু সাঈদ।

 

প্রথমে মামলাটির তদন্ত দায়িত্বে ছিলেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্তভার র‌্যাবের কাছে দেওয়া হয়।

 

সর্বশেষ, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি টাস্কফোর্স।

এই বিভাগের আরো খবর