শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৭ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
২৪ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ দু’চার দিনের মধ্যে ওষুধ আসছে : কাদের ‘ডেঙ্গু নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকার ব্যর্থ’ ক্ষমা চাইলেন মেয়র আতিকুল রাজধানীর ২৪ হাটে পশু বেচাকেনা শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৫৩ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্ধ ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার দেশের চতূর্থ মানব রোবট তৈরি করলো কুবি শিক্ষার্থীরা
৩১০৫

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজ সোহাগ পাহাড় গ্রেফতার

নূরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০১৯  

শরীয়তপুরে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ছিনতাইকারী সোহাগ পাহাড় গ্রেফতার হয়েছে। গত ২৪ জুলাই পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম উদ্দিন এর নেতৃত্বে এস আই আতিয়ারের সহযোগীতায় এবং এস আই রুপকর তার সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গোপন তত্ত্বের ভিত্তিতে শরীয়তপুর সদর পাহাড় বাড়ি এলাকা থেকে চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী সোহাগ পাহাড় এবং কিশোর মৃধা কে বালুচড়া থেকে ভোজেশ্বর বাজার থেকে বাপ্পি ঘোষ কে গ্রেপ্তার করেছে। গত ২১ জুলাই শরীয়তপুরের বিশিষ্ট ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন তার ঠিকাদারি কাজের প্রয়োজনে নিজ পরিবার থেকে দশ ভরি গহনা অলংকার ভোজেশ্বরের বিশিষ্ট পুরাতন স্বর্ন ব্যবসায়ী অধির ঘোষের দোকান হতে দশ ভরি বন্ধকী গহনা ছারিয়ে আনার জন্য অধীর ঘোষের স্বর্নের দোকানে সুদ সহ দুই লক্ষ ষাট হাজার টাকা নিয়ে যায়। দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকায় দুই মাস পরে সুদ সহ দুই লক্ষ ষাট হাজার টাকা হয়। ঠিকাদার মামুন সুদ সহ টাকা সংগ্রহ করে বন্ধকী গহনা ছারিয়ে আনার জন্য গত ২১ জুলাই বেলা তিনটার দিকে ভোজেশ্বর বাজার অধীর ঘোষের স্বর্নের দোকানে যায়। অধীর ঘোষের ছোট ছেলে বাপ্পি গোষের অসৎ পরিকল্পনার কথা মামুন খান বুঝতে পারে নি। বাপ্পি ঘোষ বিভিন্ন অজুহাতে মামুনকে দেরী করিয়ে সন্ত্রাসী চাদাবাজ ছিনতাইকারী সোহাগ পাহাড় কে তথ্য দিয়ে টাকা নিয়ে বন্ধকী গহনা মামুনকে দিয়ে দেয়। দশ ভরি গহনা এবং নগত সাত লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা সহ শরীয়তপুরের উদ্দেশ্য রওনা হয় কিন্ত ঠিকাদার মামুন খান এবং তার বিশ্বস্ত বন্ধু লিটন মোল্লা সহ বাপ্পি ঘোষ সোহাগ পাহাড় কে তথ্যটি জানালে ছিনতাইকারী সোহাগ পাহাড় তার চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী বাবাহিনী নিয়ে পল্লি বিদ্যুৎ অফিসের কিছুটা পশ্চিম পাশে মামুন খানকে ঘিরে ধরে এবং দেশীয় ধারালো চাপাটি ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং গহনা অলংকার সহ নগত সাত লক্ষ টাকা জোড় করে ছিনতাই করে জীবনের ভয়দেখিয়ে নিয়ে নেয়। ঘটনাস্থল থেকে জানা যায় ছিনতাইয়ের সময় মজিদ জরিনা স্কুলের ছুটি হওয়া অনেক ছাত্র ছাত্রী এবং সাধারণ জনগন উপস্থিত ছিল কিন্তু সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ কাছে আসেনি। পরবপরবর্তীতে সোহাগ পাহাড় এবং এই ঘটনার মূল পরিকল্পনা কারী অধীর ঘোষের ছোট ছেলে বাপ্পি ঘোষ তার সহযোগী ও কিশোর সহ তাদের বাহিনী দিয়ে আহত অবস্থায় মামুন কে মটর সাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। বাদি মামুন খান অভিযোগ করে বলে আমাকে এবং আমার বন্ধু লিটন মোল্লাকে মারধর করে গহনা সহ টাকা নিয়ে নেয় এবং জোরপূর্বক আমাদেরকে মটর সাইকেলে তুলে পাটনি গায়ের বৃক্ষতলায় নিয়ে যায়। সোহাগ পাহাড় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক দুইটা স্ট্যা¤েপ দস্তখত নিয়ে নেয়। তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় ঠিকাদার মামুন খান গত ১৫ মে সোহাগ পাহাড় এর বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা করে। মামুন খান কোট থেকে চাঁদাবাজি মামলা স্বইচ্ছায় তুলে ফেলে সে জন্য চাদাবাজ সোহাগ পাহাড় জোরপূর্বক মামুনের কাছ থেকে প্রাণনাশের ভয়দেখীয়ে দুইটা স্ট্যা¤েপ দস্তখত নিয়ে নেয়। সন্ত্রাসী চাদাবাজ সোহাগ পাহাড় মামুনকে হুমকি দিয়ে বলে এ ঘটনার কথা কাউকে বলবি না বললে একে বারে জানে মেরে ফেলবো। এই ছিনতাইয়ের ঘটনার মূল পরিকল্পনা কারী ভোজেশ্বর বাজারের পুরাতন স্বর্ন ব্যবসায়ী অধীর ঘোষের মেজ ছেলে অমিত ঘোষ বাপ্পি। এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ২৫ জুলাই বাদি হয়ে পালং থানায় একটি মামল করে। এই মামলার প্রধান আইয়ো এবং উপ- পুলিশ পরিদর্শক রুপুকর সাক্ষাৎকারে বলে এই মামলার প্রধান আসামী চাদাবাজ সোহাগ পাহাড় এবং কিশোর মৃধা ও বাপ্পি ঘোষ কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই এবং আসামীদের কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করি এবং প্রধান আসামীর কাছ থেকে প্রকৃত তথ্য উৎঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এই মামলার এজাহার ভুক্ত বাকি আসামীদের ধরার চেস্টা অব্যহত আছে।

এই বিভাগের আরো খবর