জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ ঘন্টা আগে, ০১:২৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

মেলান্দহে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিদ্যালয়ে তালা দিল শিক্ষার্থীরা

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের করিমুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে এ কর্মসূচি পালন করে তারা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানায়।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় তারা।

এ ছাড়া বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা এবং একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করারও দাবি জানায় বিক্ষোভকারীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ জন্য উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, মিনহাজ স্যার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্কুলের অনিয়ম শুরু হয়েছে। আমাদের ঠিকমতো ক্লাস হয় না। পার্শ্ববর্তী স্কুলগুলোর তুলনায় পরিক্ষা ফিস থেকে শুরু করে সবকিছুতে আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।

তারা আরও জানায়, তিনি (মিনহাজ স্যার) স্কুলে সময় মতো আসেন না। ১১-১২ টার দিকে আসলেও আবার ২-৩টার মধ্যে চলে যান। আমরা চাই এ সব অভিযোগ তদন্ত করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হোক।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, কিছু শিক্ষক ছাত্রদের উষ্কানি দিয়ে আমাকে অপমান অপদস্ত করার জন্য এটা করছে। তারা যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়।

করিমুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইজামদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়টি জেনেছি। প্রধান শিক্ষক কল দিয়ে বলেছে। এমপি সাব দায়িত্ব নিয়েছে তিনি বিষয়টি সুরাহার জন্য বলেছেন৷

আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে বলেন, প্রধান শিক্ষকের কাছে আমি হিসাব চেয়েছিলাম কিন্তু হিসাব দেয়নি।

মেলান্দহ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য করুন