প্রকাশিত: ১৩ ঘন্টা আগে, ০৩:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ছোটবেলা থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন বলিউড তারকা সারা আলি খান। তবে পড়াশোনার প্রতিও তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল। তাই শুরুতে অভিনয়ের বদলে আইন নিয়ে পড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় মঞ্চে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা তাঁর শৈশবের স্বপ্নকে আবার জাগিয়ে তোলে। তখন তাঁর ওজন ছিল প্রায় ১০০ কেজি।
সম্প্রতি অভিনেতা অনিল কাপুরের অনুষ্ঠান ‘ইন্ডিয়া কে টপ ওয়ান পার্সেন্ট’-এ নিজের জীবনের এ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সারা। তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠানে ছিলেন অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানাও।
অনিল কাপুরের প্রশ্নের জবাবে সারা বলেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। তবে পড়াশোনাও খুব উপভোগ করতেন। এ কারণে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়েন। সেখানে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর।
সারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি থিয়েটারের একটি কোর্সে ভর্তি হন। মঞ্চে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে বহুদিন চাপা পড়ে থাকা অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষা আবার জেগে ওঠে। সারার ভাষায়, ‘মঞ্চে উঠে অভিনয় করার পর আমার শৈশবের সেই ইচ্ছা আবার জেগে ওঠে, যেটিকে এত দিন মনের বাইরে সরিয়ে রেখেছিলাম। তখন মনে হলো, আমাকে এটা করতেই হবে। অন্তত চেষ্টা করে দেখতে হবে। এভাবেই সিদ্ধান্তটা নেওয়া। আর তখন আমার ওজন ছিল প্রায় ১০০ কেজি।’
একই অনুষ্ঠানে অনিল কাপুর আয়ুষ্মান খুরানার কাছে জানতে চান, তিনি কখন অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জবাবে আয়ুষ্মান বলেন, অনিল কাপুরকে অভিনয় করতে দেখেই তিনি এ পেশার প্রতি আকৃষ্ট হন।
অভিনয়ে আসার ক্ষেত্রে কে তাঁকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দিয়েছেন, এমন প্রশ্নে আয়ুষ্মান তাঁর বাবার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই তাঁর বাবা শিল্প ও অভিনয়চর্চার প্রতি তাঁকে উৎসাহিত করেছেন।
আয়ুষ্মানের ভাষ্য, ছোট শহরের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবার থেকে এসে বিনোদনজগতে কাজ করার স্বপ্ন দেখা সে সময় সহজ ছিল না। স্কুলে পড়ার সময় তিনি হাতে গোনা কয়েকজন সহপাঠীর একজন ছিলেন, যাঁদের অভিভাবকেরা শিল্পচর্চায় এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিতেন।
নিজের শিল্পীসত্তার পেছনে দাদির অবদানও রয়েছে বলে জানান আয়ুষ্মান। তাঁর দাদি একসময় গুরুদুয়ারায় গান গাইতেন এবং মানুষের অনুকরণও করতেন। দাদির কাছ থেকে শিল্পীসত্তা পেলেও এগিয়ে যাওয়ার সাহস ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন বাবার কাছ থেকে।
সূত্র: আইএএনএস
মন্তব্য করুন