প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের নাশকতার পরিকল্পনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ইতোমধ্যে সকল রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পুলিশ সুপারদের জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. খালিদুল হক হাওলাদার বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সাম্প্রতিক অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ পাঁচজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সাফল্যের বর্ণনা দিয়ে খালিদুল হক হাওলাদার বলেন, "গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।"
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আব্দুর রহমান ওরফে রহমত উল্লাহ, মনিরুল ইসলাম ওরফে রাডার মনির, মো. নুর হোসেন, আল আমিন ওরফে ফাটা আল আমিন এবং মো. সুর নবী। তাদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, ৩৩ রাউন্ড গুলি ও ১ লাখ ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে র্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, "রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট ও শেরে বাংলা নগর এলাকায় ২৪টি টহল টিম তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করছে। মোটরসাইকেল টহলের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।"
উগ্রবাদী হামলার হুমকি ও নজরদারি নিয়ে তিনি বলেন, "গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ চলছে।"
জনমনে স্বস্তি ফেরাতে র্যাবের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, "আমরা যেকোনো ধরনের ঝুঁকি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। তবে এই মুহূর্তে বড় ধরনের কোনো হুমকি দেখছি না। তবুও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।"
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য সকল ঝুঁকি মোকাবিলায় তাদের বিশেষ ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন