নাজমুল হুদা

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:০৬ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

গণতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ: ন্যায়বিচার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার: তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত

দেশে গণতন্ত্র সুসংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর রাষ্ট্র এখন সঠিক পথে এগোচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আদালত ও বিচার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "অর্থের অভাবে কেউ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে না। আমরা মানবকি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ন্যায়বিচার থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।"

দরিদ্র ও অসহায় মানুষের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, "যারা আর্থিকভাবে সামর্থবান নন, তাদের আইনি সহায়তা দিতে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।"

আইনের শাসন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "ন্যায়বিচারের কথা শুধু আইনের বইয়ে নয়, এটা প্রতিটি মানুষের জীবনে বাস্তব হয়ে উঠুক।"

রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব ও সাংবিধানিক অঙ্গীকারের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নয়পরায়নতা তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন আইন মানুষের ওপর যান্ত্রিক উপয়ে প্রয়োগ না হয়ে; বরং তাদের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং প্রাপ্ত অধিকার নিশ্চিত করার একটি গভীর নৈতিক অঙ্গীকারে রূপ নেয়। যেহেতু ন্যায়বিচার প্রতিটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সেই অধিকার যেন রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি মানুষ চর্চা করতে পারে, এ জন্য সরকার যথাসাধ্য লিগ্যাল এইড দেবে।"

বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কমানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, "বিচার বিলম্ব মানেই বিচার অস্বীকার। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে মামলার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

উক্ত অনুষ্ঠানে আইনি সহায়তা কার্যক্রমে অবদান রাখা সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি একটি মানবিক ও সাম্যভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বিচার বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য করুন