তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৫ ঘন্টা আগে, ০২:৩৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

অস্ত্র হাতে ইশরাক, তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

রাজধানী ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে প্রদর্শনের ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। এ ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুল ইসলাম আরও জানান, এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনে একটি মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে যান ইশরাক হোসেন। এ ঘটনায় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইশরাক হোসেন চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ এ সময় তাঁর হাতে একটি অস্ত্র ছিল। একই দিন বিকেল ৫টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি শেয়ার করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে সেটি মুছে ফেলা হয়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ইশরাকের অ্যাকশন: মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ’।

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরই নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অস্ত্র নিয়ে তিনি কাউকে ভয় দেখাননি, গুলিও করেননি। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এভাবে অভিযান চালানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্যের জবাবে ইশরাক হোসেন জানান, তাঁর হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি। তাঁর সংসদীয় আসনের মধ্যে গেন্ডারিয়ার রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক ব্যবসা হয়। এ নিয়ে এলাকার মানুষ বারবার তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানানোর পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ কারণে বাধ্য হয়ে তিনি সেখানে গিয়েছেন।

মন্তব্য করুন