প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৭:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা ও দেখা করার জন্য ভারতের কাছে কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে বাংলাদেশ।
সোমবার (৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি জানান, কলকাতার পুলিশ দুজনকে হাদি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে এবং তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘কলকাতায় আমাদের উপ-হাইকমিশন এরইমধ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়েছি। তাদের পরিচয় শনাক্ত ও সত্যতা যাচাই করার পর আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারব।’
আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে। হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা সবাই চাই। তবে অন্য দেশের আদালতের প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক নিয়ম মেনে আমাদের এগোতে হবে। ভারত আমাদের এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে বলে আমরা আশাবাদী।’
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটা চলমান প্রক্রিয়া। চলমান আছে। আমাদের সরকার মাত্র এসেছে। অবশ্যই আমরা গত ১৭ বছরে, বিশেষ করে জুলাইয়ে শিশুদের হত্যা করেছে শেখ হাসিনাসহ সবার বিচার আমরা চাই। শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে বিএনপি সরকার সচেষ্ট আছে, এটা চলমান থাকবে।’
ভারত থেকে জ্বালানি আনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে অনেক ইস্যু আছে, আমরা ডিজেল চাচ্ছি, পানি চাচ্ছি, সীমান্ত হত্যা বন্ধ চাচ্ছি। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। যেহেতু বাংলাদেশ নতুন সরকার এসেছে, তারা নতুনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। একটা মিউচুয়াল রেসপেক্টের মাধ্যমে তারা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। তারা যেই কথাগুলো বলেছে, যদি ভালো কূটনীতি বা ডিপ্লোমেসি আমরা বজায় রাখতে চাই–তাদের কথাগুলো তাদের আলোকপাত করা উচিত।’
মন্তব্য করুন