বৃহস্পতিবার   ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৯ ১৪৩২   ২৪ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২৮৯

রৌমারীতে নিজস্ব অর্থায়নে ২০০ হাত লম্বা বাঁশের সাঁকো মেরামত

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২০  

 
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় নিজস্ব অর্থায়নে ২০০ হাত লম্বা বাঁশের সাঁকো মেরামত করে দিলেন ইউনুস ক্বারী নামের এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা গয়টাপাড়া গ্রামে ব্রিজটির মেরামত করে দেন।


এলাকাবাসী জানান, গয়টাপাড়া গ্রামের এই বাঁশের সাঁকোটি অনেকদিন যাবত পারাপারের অযোগ্য হয়ে আছে। কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই। ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বার বানিয়েছি, তারাও কখনো দেখতে আসে না। অথচ এই সাঁকো দিয়েই গয়টাপাড়া গ্রামের মানুষ ও পাশের নতুন শৈলমারী, চোরের গ্রাম,বেহুলার চরের মানুষ অন্য গ্রামে যাওয়া আসার জন্য ব্যবহার করে থাকে।

গ্রামবাসী আরো জানান, গয়টা পাড়া গ্রামের হাজার হাজার জমির ফসল এই ব্রিজ দিয়ে পার করা হয়। এই ব্রিজটি পারাপারের অযোগ্য দেখে পার্শ্ববর্তী চর বোলমারি গ্রামের ইউনুস ক্বারী গয়টাপাড়া গ্রামবাসীর সাথে নিয়ে মেরামতের ব্যবস্থা করে দেন।


 
ব্রিজ মেরামত সম্পর্কে ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ইউনুস ক্বারী অত্যন্ত ভাল লোক। তাকে দেখেছি সব সময় মানুষের সেবা করতে। অসহায় গরীবদের পাশে দাঁড়াতে। আমাদের গ্রামের এই বাঁশের ব্রীজটি অনেকদিন যাবত পারাপারের অযোগ্য হয়েছিল। ইউনুস ক্বারী এই ব্রিজ মেরামতের ব্যবস্থা করে দেন। শুধু তাই নয় ২নং শৈলমারী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের রাস্তা মেরামত সহ নতুন রাস্তাও করে দেন তিনি।

ইউনুস ক্বারী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউনুস ক্বারী এর আগে চেয়ারম্যান পদে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অল্প কয়েকটি ভোটে তিনি পরাজিত হন। এবার তিনি আওয়ামী লীগ থেকে ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। আশা করছি আওয়ামী লীগ থেকে তাকে মনোনীত করা হবে এবং তিনি পরবর্তী চেয়ারম্যান হবেন ২ নং ইউনিয়নের।

ব্রিজ মেরামত সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউনুস ক্বারী বলেন, শুধু গয়টাপাড়া ব্রিজ নয়। আশেপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের ব্রিজ মেরামত এবং রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা করেছি।

তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক, আওয়ামী লীগের সৈনিক, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেমন দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন তেমনি তার সৈনিক হিসাবে আমি আমার নিজ এলাকায় আমার সাধ্যমত উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর আগেও একবার নির্বাচন করেছি অল্প কয়েকটি ভোটে হেরে ছিলাম। এবার আশা করছি আমি জিতব। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা ২ নং শৈলমারি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নির্বাচনে আমাকে মনোনীত করবেন। কারণ আমি সব সময় জনগণের পাশে থাকি। জনগণের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়।

তিনি আরো বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্য একজন নেতাকে মনোনীত করা হয়েছিল কিন্তু তিনি তার সাফল্য দেখাতে পারেনি। আমি আশা করছি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে আমি বিজয়ী হব।

এই বিভাগের আরো খবর