প্রকাশিত: ৩৯ মিনিট আগে, ০৩:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিএনপি সরকারের সময়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক নিজের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর বিষয়টিকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বলে অভিহিত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও ভয় দেখিয়ে রাখার পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে ব্যবহৃত হচ্ছে পুনর্গঠিত দুদক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ও বক্তব্যের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ নথিপত্র উল্লেখ করে বলেন, “যে সুনির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে, তা ঘটেছে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে। অথচ আমি পদত্যাগ করেছি ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর, যা ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়। আমার পদত্যাগের প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় পর ঘটে যাওয়া ঘটনার দায় আমার ওপর চাপিয়ে রাজনৈতিক হয়রানি করা হচ্ছে। তথ্য ও তারিখ সঠিকভাবে যাচাই করা হলে আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের কোনো ভিত্তি থাকে না।”
দুদকের স্বাধীনতা ও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপি মুখপাত্র বলেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রণীত দুদক সংস্কার অধ্যাদেশটি বর্তমান বিএনপি সরকার বাতিল করে দিয়েছে। দলীয় কায়দায় পুনরায় দুদক গঠন করায় সংস্থাটি আবার পুরোনো পথেই হাঁটছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং সামাজিক মানহানি করার কারণে ইতিমধ্যে তাঁরা আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং এই পদ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।
মন্তব্য করুন