প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৭:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দক্ষিণী চলচ্চিত্রে কাজ করার সময় অপছন্দের গল্প ও অস্বস্তিকর কিছু অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, একটি তেলেগু ছবিতে তাঁর চরিত্রকে নিজের মামাকে বিয়ে করতে হয়েছিল। পাশাপাশি নিজের চেয়ে অনেক বেশি বয়সি এক অভিনেতার সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যেও অভিনয় করতে হয়েছিল তাঁকে।
ভারতের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জুমকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে রাধিকার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশ। সেখানে রাধিকা বলেন, “একটি তেলেগু ছবি করেছিলাম, সেখানে নিজের মামাকে বিয়ে করতে হয়েছিল আমার চরিত্রটিকে। সেটাই আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন ছবি ছিল। ওই ছবির সবকিছুই আমার অপছন্দ ছিল।”
এ সময় কীর্তি সুরেশ বলেন, “তামিল ও তেলেগু সংস্কৃতিতে মামাতো-পিসতুতো ভাইবোন বা মামার সঙ্গে সম্পর্কের এই বিষয়টি বেশ পরিচিত।”
রাধিকা আরও জানান, ছবির গল্পে তাঁকে নিজের চেয়ে অনেক বেশি বয়সি এক নায়কের বিপরীতে রোমান্স করতে হয়েছিল। পুরো পরিবেশ ছিল পিতৃতান্ত্রিক। এর পাশাপাশি ছবির মাঝপথেই তাঁর চরিত্রকে মেরে ফেলা হয়।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে রাধিকা বলেন, “নায়ক আমাকে কাঁধের ওপর ফেলে অ্যাকশন সিক্রেট শুট করত। তখন শুধু ভাবতাম—কখন যে আমার চরিত্রটা মরবে!”
অভিনেত্রী ছবিটির নাম প্রকাশ না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ধারণা করছেন, তিনি ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া বয়াপাটি শ্রীণু পরিচালিত তেলেগু ছবি ‘লেজেন্ড’-এর কথা বলেছেন। ওই ছবিতে নন্দমুরি বালাকৃষ্ণের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন রাধিকা। ছবিটি মুক্তির সময় বালাকৃষ্ণের বয়স ছিল ৫৪ বছর এবং রাধিকার ২৯ বছর। ২০১৫ সালে ‘লায়ন’ নামের আরেকটি ছবিতেও বালাকৃষ্ণের সঙ্গে অভিনয় করেন তিনি।
রাধিকার মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একাংশের প্রশ্ন, চিত্রনাট্য ও সহ-অভিনেতার বয়স জানার পরও কেন তিনি ছবিতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন, দক্ষিণী বাণিজ্যিক ছবির পুরোনো ও পিতৃতান্ত্রিক ধারা এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বয়সের ব্যবধান নিয়ে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন।
তবে রাধিকা আপ্তে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো ছবির নাম উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।
মন্তব্য করুন