তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১২:৩৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

‘ক্যাঙারু কোর্ট’ বলায় ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন দুই আইনজীবী

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ক্যাঙারু কোর্ট’-এর রায় বলার ঘটনায় সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির হয়ে তাঁরা ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

শুনানি শেষে আদালত অবমাননার মাত্রা বিবেচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন ট্রাইব্যুনাল। এদিকে, দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা ঘিরে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-২-এর সব মামলার শুনানি বাতিলের পাশাপাশি আইনজীবীদের প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা জোরদার ও শুনানি বাতিলের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও বিচারকের অসুস্থতার কারণে তা পিছিয়ে যায়। সেদিনও আদালত অবমাননার অভিযোগের জবাব দিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছিলেন অভিযুক্ত আইনজীবী হাসানুজ্জামান তুষার ও হাসান চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন আওয়ামীপন্থি আইনজীবী গেলেও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সবাইকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

মূলত গত ১৫ সেপ্টেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। এর পরদিন, ১৬ সেপ্টেম্বর, ওই দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

সে সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পেশায় আইনজীবী হওয়ায় তাঁদের এমন নেতিবাচক মন্তব্যে বিচারব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এ কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

মন্তব্য করুন