বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ১১:৩৯ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

বিজয়কে ‘লাকি চার্ম’ বললেন সামান্থা

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও সাবেক সহশিল্পী বিজয়ের প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। বিজয়কে নিজের ‘লাকি চার্ম’ বা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, অভিনয়জীবনের সাফল্যের শিখরে থাকা অবস্থায় জনসেবায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।

সম্প্রতি রিয়েলিটি শো ‘সেলিব্রিটি মাস্টারশেফ তামিল’-এর একটি আসন্ন পর্বে বিজয়কে নিয়ে এসব কথা বলেন সামান্থা। অনুষ্ঠানের ‘হিরো ভার্সেস ভিলেন’ চ্যালেঞ্জে সঞ্চালক আরজে বিজয় তাঁর প্রিয় তারকার নাম জানতে চাইলে তামিল সুপারস্টার বিজয়ের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথা জানান তিনি।

সামান্থা বলেন, ‘তিনি আমার লাকি চার্ম। তার সঙ্গে আমি তিনটি সুপারহিট সিনেমায় কাজ করেছি।’

সামান্থা মূলত ২০১৪ সালের ‘কাথথি’, ২০১৬ সালের ‘থেরি’ এবং ২০১৭ সালের ‘মার্সাল’ সিনেমার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনটি ছবিতেই বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ছবিগুলো বাণিজ্যিকভাবেও সাফল্য পায়।

অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তের প্রশংসা

বিজয়ের অভিনয়জীবন ছেড়ে রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তকেও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন সামান্থা। তাঁর মতে, সফল অভিনেতা থেকে রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠার পথ সহজ নয়। বিশেষ করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকার সময় অভিনয় ছেড়ে জনসেবায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া বড় পদক্ষেপ।

সামান্থার ভাষায়, ‘একজন মানুষ হিসেবে তিনি অনুপ্রেরণাদায়ক। কোটি কোটি ভক্ত থাকার পরও একজন নেতা হওয়ার, শাসন পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত—নীরবে, মনোযোগ দিয়ে এবং পর্দার আড়ালে কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যাওয়া—সত্যিই অনুপ্রেরণার।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকা অবস্থায় সিনেমা ছেড়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করা সহজ সিদ্ধান্ত নয়।’

সামান্থার মতে, রাজনীতিতে প্রবেশের জন্য বিজয় সঠিক সময়ই বেছে নিয়েছেন। ২০২৪ সালে তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) নামে রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন বিজয়। ২০২৬ সালের ১০ মে তিনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

শিশুশিল্পী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

১৯৮৪ সালে বাবার পরিচালনায় ‘ভেট্রি’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় বিজয়ের। ১৯৯২ সালে ‘নালাইয়া থীরপু’ সিনেমায় প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা করেন তাঁর বাবা এসএ চন্দ্রশেখর এবং প্রযোজনা করেন মা শোভা।

১৯৯৬ সালে ‘কোয়েম্বাটুর ম্যাপিল্লাই’ সিনেমার মাধ্যমে বাণিজ্যিক সাফল্য পান বিজয়। পরবর্তী সময়ে ‘লিও’-সহ একাধিক সফল সিনেমায় অভিনয় করে তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন তিনি।

বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জানা নায়াগান’ ২০২৬ সালের ২৩ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিটি মুক্তির আগে ছাড়পত্র নিয়ে জটিলতার কারণে কয়েক দফা পিছিয়ে যায়।

অন্যদিকে, সামান্থার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘মা ইন্তি বঙ্গারাম’। চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে সংসার করছেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে সামান্থা নিজেই প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় থাকার কথা জানান।

মন্তব্য করুন