আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ ঘন্টা আগে, ১০:২৯ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার লেবানন-ইসরাইল সরাসরি আলোচনা

আঞ্চলিক চরম উত্তেজনার মধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, দুই দেশই কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

গত সপ্তাহে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই হতে যাচ্ছে দেশ দুটির মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম দফার সংলাপকে ‘গঠনমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, দুই দেশের মধ্যে একটি ‘সৎ ও ইতিবাচক’ আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবে।

কয়েক দশকের বৈরিতা কাটিয়ে গত সপ্তাহে লেবানন ও ইসরাইলের কর্মকর্তারা প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে বসেন। এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্রদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিলেও লেবানন সরকার আলোচনার পথেই অটল রয়েছে। শুক্রবার এক ভাষণে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, “এই আলোচনা কোনো দুর্বলতা বা পিছু হটা নয়, কিংবা এটি কোনো ধরনের ছাড়ও নয়। বরং জনগণের কল্যাণ এবং দেশের অধিকার রক্ষার তাগিদ থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এই আলোচনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি একে ‘ধারাবাহিক পরাজয়মূলক ছাড়’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “আমরা দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে এই ফলহীন আলোচনা প্রত্যাখ্যান করি। এ ধরনের আলোচনার আগে লেবাননের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের প্রয়োজন ছিল, যা এখনো অর্জিত হয়নি।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিলের প্রথম দফার বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার অংশ নিয়েছিলেন। সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৃহস্পতিবারের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে সীমান্ত বিরোধ ও স্থায়ী স্থিতিশীলতার বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন