তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ০৪:৪৬ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

৫ বছরে পৌনে ৩ কোটি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারা বজায় রেখে আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, “মানুষের কাছে দেওয়া অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল ‘কৃষক কার্ড’। এছাড়া দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যার সুফল পেয়েছেন দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক।” তিনি আরও জানান, আজ প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষকের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হলেও আগামী ৫ বছরে সরাসরি কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশের সকল কৃষকের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।

কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকাগুলোতে কৃষিপণ্যভিত্তিক কলকারখানা গড়ে তোলা হবে যাতে চাষিরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম পান। এছাড়া কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সবাইকে দেশ পুনর্গঠনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার জনগণের সরকার। আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং দেশের উন্নয়ন। দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং বাকিরাও কোনো না কোনোভাবে এর ওপর নির্ভরশীল। বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। তাই ১০টি বিশেষ সুবিধা সংবলিত এই কৃষি কার্ড কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি যখনই দেশ পরিচালনা করেছে, কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জনগণের এই আস্থার প্রতিদান দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের উন্নয়ন ও লক্ষ্য অর্জনে তিনি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। কৃষিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন