তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ৮ ঘন্টা আগে, ০৭:২২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ওয়াকআউটের পর রাষ্ট্রপতিকে অপরাধী আখ্যা দিলেন জামায়াত আমির

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অধিবেশনে বক্তব্য দিতে শুরু করলে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সংসদ কক্ষ ত্যাগ করে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের চলাকালীন তারা ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন একজন অপরাধী। তিনি সকল খুনির সহযোগী ছিলেন এবং কোনো খুনের ঘটনায় ব্যবস্থা নেননি। একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি রাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব পালন করেননি। ‘তার বক্তব্য আমরা এই মহান সংসদে শুনতে পারি না।’”

রাষ্ট্রপতিকে অপরাধী আখ্যা দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “রাষ্ট্রপতি তিন কারণে অপরাধী। প্রথমত, তিনি খুনের সহযোগী; তার আমলে ঘটিত খুনগুলোর একটির বিরুদ্ধেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের বিষয় মঞ্জুর করেছিলেন, পরে তা অস্বীকার করেন; ফলে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হয়েছেন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় দুটি ভোট ও সংশ্লিষ্ট শপথসংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছিলেন, কিন্তু সংস্কার সংশোধন পরিষদের অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, তিনি সেই মানুষদের অপমান করেছেন।”

স্পিকারের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। তার ভাষায়, “বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংসদে কোনো অন্যায় বরদাশত করব না। সংসদ কারো একার নয়; আমরা জনগণের পক্ষে কথা বলব।”

এদিকে ওয়াকআউটের বিষয়ে বিএনপির চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছি। ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দিতে আসায় আমরা বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার সুযোগ দেননি, তাই আমরা ওয়াকআউট করেছি।”

মন্তব্য করুন