প্রকাশিত: ৯ ঘন্টা আগে, ০৬:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ফিলিস্তিনের গাজা নগরীতে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু রয়েছে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঘটনাটি ঘটে।
ভবনটিতে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি আগের ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ফাটলধরা ছিল। আবাসন সংকটের কারণে বাস্তুচ্যুত অনেক পরিবার সেখানে বসবাস করছিল।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ধসে পড়া ভবনটির নিচে প্রায় ১০০ মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন। উদ্ধারকাজ চলছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের উদ্ধারে উদ্ধারকারীরা কাজ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অন্তত ছয়টি পরিবারের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। ভবনটির পাশে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুও ছিল। ধসের পর উদ্ধারকারীরা সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে সেখানে কাজ শুরু করেন।
গাজার কর্তৃপক্ষ ভবন ধসের জন্য ইসরায়েলি হামলায় ভবনটির পূর্ববর্তী ক্ষয়ক্ষতিকে দায়ী করেছে। তবে ভবন ধসের তাৎক্ষণিক কারণ নিয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে গাজায় যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভবনে এখনো মানুষ বসবাস করছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপত্যকায় প্রায় ২ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এখনো বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। আবাসন সংকটের কারণে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর একটি অংশ এসব ভবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
এর আগে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা জানিয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা ভবনের সংখ্যা অনেক বেশি। উদ্ধারকাজে ভারী সরঞ্জামের ঘাটতিও রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
নোট: বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন আপডেট এসেছে; উদ্ধারকাজ চলতে থাকায় হতাহতের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। রয়টার্সের সর্বশেষ প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৬ বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন