প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সারা দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬ শুরু হচ্ছে। আগামী ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ডোজ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটরিয়ামে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, এক বছর বা তার বেশি বয়সী সব নাগরিককে (গর্ভবতী নারী ব্যতীত) প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিনামূল্যে এই টিকা খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে কলেরা মহামারির মতো ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের কারণে সতর্ক থাকা জরুরি। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মতো এই উদ্যোগ সফল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীতে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। তবে সামনে আরও কয়েক মাস ঝুঁকি থাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পিরোজপুরের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, তাই এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার ১৭টি ওয়ার্ডে ১৯২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এবং মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্দিষ্ট এলাকাতেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, টিকাদানের পাশাপাশি নিরাপদ পানি সরবরাহ, উন্নত স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে কলেরা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জন সম্ভব। তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন