প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ০৫:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
তারকারা যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানো, অনুরাগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কাজের প্রচারে ব্যস্ত, তখন ভিন্ন পথে হেঁটেছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা লক্ষ্মী। ২০২৫ সালে ইনস্টাগ্রাম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও এ নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই অভিনেত্রীর। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থেকে নিজের জীবন আরও ভালোভাবে উপভোগ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঐশ্বর্যা? এর পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবি, নিজের ছবি নিয়ে অশালীন সম্পাদনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সব সময় নিজেকে তুলে ধরার মানসিক চাপ।
অভিনেত্রীর মতে, এআইনির্ভর বিভিন্ন বিষয়বস্তু এবং তাঁর ছবি নিয়ে অশালীন সম্পাদনার প্রবণতা তাঁকে বিরক্ত করছিল। একটা সময়ে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের ছবি ও সম্পাদনার প্রবণতা এখনও বন্ধ হয়নি। তাই সাময়িক বিরতি নেওয়ার পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাকেই শ্রেয় মনে করেছেন তিনি।
ঐশ্বর্যা জানিয়েছেন, শুরুতে ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেননি। কাজের প্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা জরুরি বলে মনে করতেন তিনি। সে কারণে প্রথমে কিছুদিনের জন্য নিজের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় রাখার পরিকল্পনা করেছিলেন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উপলব্ধি হয়, এই মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তাঁকে এমন একটি ব্যক্তিত্ব তুলে ধরতে হচ্ছে, যা সব সময় তাঁর প্রকৃত সত্তার সঙ্গে মেলে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপনের এই চাপই তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
ঐশ্বর্যার মতে, কেউ কী পোস্ট করছেন, তা দেখে অন্যরা তাঁকে নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করে নেন। পরে সেই ধারণার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার চাপও তৈরি হয়। তাঁর মনে হয়েছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকে থাকার জন্য যেন তাঁকে আলাদা একটি চরিত্রে অভিনয় করতে হচ্ছে। সেই চাপ থেকে মুক্তি পেতেই ইনস্টাগ্রাম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন