প্রকাশিত: ৯ মে, ২০২৬, ০৫:৫০ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
রাজধানীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নগরায়ণের সাথে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবা আরও শক্তিশালী করতে মাঠে নামছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে একটির প্রস্তাব ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এ 'খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি' উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, রায়েরবাজারে একটি নতুন থানার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মোহাম্মদপুর, আদাবর ও হাজারীবাগের কিছু অংশ একত্রিত করে আরেকটি থানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভাটারা, বাড্ডা ও খিলক্ষেতের অংশ নিয়ে তৈরি হবে 'বসুন্ধরা থানা'। এ ছাড়া খিলগাঁওয়েও একটি নতুন থানার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
থানা স্থাপনের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের আবাসন সংকট দূর করতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানান কমিশনার। গত কয়েক মাসে প্রায় আট হাজার সদস্যের নতুন আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি ও ডেমরা পুলিশ লাইনে এক হাজার ৬০০ করে সদস্য থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে। মিরপুর পুলিশ লাইন্সে উদ্বোধন হয়েছে ২০ তলা ব্যারাক, যেখানে থাকতে পারবেন দুই হাজার ২০০ সদস্য।
পূর্বাচলে পুলিশ সদর দপ্তরের ২০ তলা ভবনে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ডিভিশন ও ট্রাফিক উত্তর বিভাগের ৮০০ থেকে ৯০০ সদস্যের আবাসনের কাজ চলছে। দিয়াবাড়ির ১০ একর জমিতে চলছে নতুন পুলিশ লাইনস সম্প্রসারণের কাজ। ভবিষ্যতে এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় এলে সেখানে চারটি থানা ও ছয়টি ফাঁড়ি গড়ার পাশাপাশি প্রায় ছয় হাজার পুলিশ সদস্যের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বসিলায় ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি রাজাবাগ থেকে এমটিও ওয়ার্কশপ স্থানান্তর করে ১৫০ থেকে ২০০ মেকানিকসহ নতুন ওয়ার্কশপ স্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে বসিলায় ডিএমপির মোটর ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলের কার্যক্রমও বিস্তার পাচ্ছে।
মন্তব্য করুন