গণভোট ও পরিষদে পাস হলে পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ
তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার) আদেশ ২০২৫-এর খসড়া করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ভোটের অনুপাত (পিআর) পদ্ধতিতে আগামী সংসদে উচ্চকক্ষ গঠনে আদেশে বিশেষ শর্ত থাকবে। গণভোটে আদেশ পাস হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ উচ্চকক্ষ গঠনের অনুমোদন দেবে।
বিএনপি পিআরের ঘোর বিরোধী। জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল পুরো নির্বাচনে পিআর চাইলেও তারা এবং এনসিপি অন্তত উচ্চকক্ষে পিআরের দাবিতে অনড়। এই বিরোধ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রধান বাধা। তাই আদেশে পিআর নিয়ে সংকট সমাধানে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মতামতের সমন্বয় করা হয়েছে। ঐকমত্য কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, আদেশ গণভোটে পাস হলে পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন অনুমোদনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাধ্য থাকবে। অন্যান্য সংস্কারে পরিষদ ৯ মাস সময় পেলেও উচ্চকক্ষ গঠনে অগ্রাধিকার দেবে। অনুমোদনের ১৫ দিনের মধ্যে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগামী সংসদেই পিআর পদ্ধতির উচ্চকক্ষ কার্যকরে আদেশে এই বিশেষ শর্তটি রাখা
হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। জুলাই সনদে থাকা অন্যান্য সংস্কারের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) বিষয়ে এমন শর্ত থাকছে না বলে জানা গেছে।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার সময় পাওয়া সাপেক্ষে আজ সোমবার আদেশের খসড়া এবং কার্যকরের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। তারা সরকারের কাছে দুটি
বিকল্প সুপারিশ তুলে ধরবে। গতকাল রোববার সংসদ ভবনে কমিশনের কার্যালয়ে কমিশন এবং বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভায় আদেশের খসড়া প্রণয়ন করা হয়। সূত্র জানিয়েছে, আজ সকালে কমিশনের সভায় খসড়ায় ভাষাগত কিছু পরিবর্তন আনতে পারে।
ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ সমকালকে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় ও পদ্ধতি সম্পর্কিত সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে সরকারপ্রধানের কাছে জমা দেওয়া হবে।
যা থাকছে আদেশে
কমিশন সূত্র জানায়, গণঅভ্যুত্থানের ক্ষমতাবলে আদেশ জারির সুপারিশ করা হবে। এই আদেশের ওপর গণভোট হবে। খসড়ায় বলা হয়েছে, আদেশ গণভোটে জনগণের অনুমোদন পেলে
আগামী নির্বাচনে গঠিত সংসদ দ্বৈত ভূমিকা রাখবে। একটি হবে নিয়মিত সংসদ, যা সরকার গঠন এবং আইন ও বাজেট প্রণয়ন করবে। দ্বিতীয় ভূমিকা হলো– সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন।
খসড়া আদেশে বলা হয়েছে, ৯ মাস বা ২৭০ দিনে জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধানের সংস্কার, পরিমার্জন, সংশোধন করা নির্দেশনামূলক নয় বাধ্যতামূলক হবে পরিষদের জন্য। তবে এটা না করলে কী হবে, তা গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি।
গণভোট কখন হবে, আদেশ কে জারি করবে– এ-সংক্রান্ত সুপারিশ কমিশন করবে না বলে জানিয়েছে গতকাল রোববারের বৈঠক সূত্র। কমিশনের একাধিক সদস্য সমকালকে বলেছেন, এ দুই বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য না থাকায় সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
পিআরের বিরোধ সুরাহার চেষ্টা
গত ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দল স্বাক্ষরিত জুলাই সনদে ৮৪ সংস্কারের সিদ্ধান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ মৌলিক সংস্কারের সিদ্ধান্তে বিএনপির ভিন্নমত রয়েছে। দলটি বলছে, ক্ষমতায় গেলে
এগুলো বাস্তবায়ন করবে না। জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের দাবি, গণভোট অনুমোদন করলে পুরো সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
তবে দলগুলোর প্রধান মতবিরোধ পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন নিয়ে। বিএনপি এবং এনডিএম বাদে সংলাপে অংশ নেওয়া ২৫টি দল উচ্চকক্ষে পিআর চায়। তবে এটি নিয়ে গত চার
মাসে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি দলগুলো। কমিশন সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত, এনসিপিসহ কিছু দল বলছে, পিআর বাদ দিলে নির্বাচন বর্জন করতে পারে তারা। বিএনপির সমমনা কিছু দলও পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ চায়।
বিএনপি বলেছে, নির্বাচনে জয়ী দল নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংস্কার করতে পারবে। বিএনপির দাবিতে স্বাক্ষরের আগের দিন সনদে এই অংশ যোগ করা হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন সদস্য সমকালকে বলেছেন, মূল অনৈক্য উচ্চকক্ষে পিআরে নোট অব ডিসেন্ট।
একজন বিশেষজ্ঞ সমকালকে বলেছেন, সংবিধানের সুরক্ষায় উচ্চকক্ষে পিআর প্রয়োজন। কিন্তু বিএনপিকে উপেক্ষা করে তা চাপিয়ে দিলে সংস্কার ভন্ডুল হবে। দলটি সংসদে পিআরের সুরাহা চায়। অন্যান্য দল বলছে, গণভোটে আদেশ পাস হলেই উচ্চকক্ষে পিআর হবে। মাঝামাঝি পথ হিসেবে খসড়ায় রাখা হয়েছে, গণভোটের পর পরিষদে অনুমোদিত হলে উচ্চকক্ষে
পিআর হবে। এর মাধ্যমে বিএনপির অবস্থানকে গ্রহণ করা হয়েছে। পরিষদে উচ্চকক্ষ গঠনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে অন্যদের দাবিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিষদ ঠিক করবে কীভাবে উচ্চকক্ষের সদস্যরা নির্বাচিত হবেন।
অভ্যুত্থানের ক্ষমতাবলেই আদেশ
বিএনপি সংলাপে বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে গঠিত। সংবিধান এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রয়েছে। তাই অন্তর্বর্তী
সরকারের সাংবিধানিক আদেশ জারির ক্ষমতা নেই। জামায়াত এবং এনসিপি এই অবস্থানের বিরোধী। আদেশের খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ব্যক্ত করা জনগণের কর্তৃত্বে আদেশ জারি করা হচ্ছে।’
জামায়াত এবং এনসিপির দাবি, আওয়ামী লীগ মনোনীত রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন নন, আদেশ জারি করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নামে। বিএনপি আদেশে জারিরই বিরোধী। দলটির অবস্থান হলো, বিদ্যমান আইনে প্রজ্ঞাপন জারি করে জুলাই সনদের ওপর গণভোট হতে পারে।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, জুলাই সনদ নয়, গণভোট হবে আদেশের ওপর। আদেশ কে জারি করবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে। গণভোটে একটি প্রশ্ন থাকবে। সম্ভাব্য প্রশ্ন হবে, ‘আপনি কি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার) আদেশ এবং সংস্কারকে সমর্থন করেন’? গণভোটে নোট অব ডিসেন্ট থাকবে না। বিশেষজ্ঞরা গতকালের বৈঠকেও বলেছেন, নোট অব ডিসেন্ট
রেখে সংস্কার হবে না।
৯ মাসে বাস্তবায়ন না হলে কী
সংস্কার ৯ মাসে বাস্তবায়ন করতে না পারলে সংসদ বাতিল কিংবা জুলাই সনদ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংস্কারের আলোচনা হলেও আদেশে তা রাখা হয়নি। আরেকটি আলোচনা ছিল, সংসদের আগে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন হবে। সংস্কারের পর তা সংসদে রূপ নেবে। তখন সরকার গঠিত হবে। সেটাও আদেশে থাকছে না।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আদেশে বলা হবে, জুলাই সনদে যেভাবে রয়েছে, সেভাবেই সংবিধান সংস্কারে বাধ্য থাকবে পরিষদ।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সরকারকে সুপারিশ দেওয়ার পর তা রাজনৈতিক দলগুলোকেও জানানো হবে। ভাষা এবং ভাবগত কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন হলে, তা আগামী ৩১ অক্টোবর
কমিশনের মেয়াদপূর্তির আগেই সম্পন্ন করা হবে।
বিএনপি নির্বাচনের দিনে এবং জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপি নির্বাচনের আগে গণভোট দাবি করছে। কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার এবং নির্বাচন
কমিশন। আদেশে গণভোটের সময় উল্লেখ থাকবে না।
শেষ সময়ে সমঝোতার চেষ্টা
আদেশ কার্যকরের প্রক্রিয়া সরকারের ওপর ছেড়ে দেবে কমিশন। কমিশন এবং বিশেষজ্ঞ প্যানেলের একাধিক সদস্য সমকালকে বলেন, আদেশ জারি করে তা কার্যকরে সরকারকে
পদক্ষেপ নিতে হবে।
এতে রাজনৈতিক দলের সমর্থন আদায়ে গতকাল শেষ সময়ে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে কমিশন। বিএনপিকে উচ্চকক্ষে
পিআর, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন পদ্ধতি মেনে নিতে অনুরোধ করা হয়। তবে অবস্থান পরিবর্তনের আভাস মেলেনি।
গতকাল কমিশনের সঙ্গে সভায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিচারপতি এম এ মতিন, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট শরিফ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওন।
আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশে নেন কমিশন সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন, মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া
এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
- কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ইলিয়াস হত্যা মামলার আসামী আটক।
- জবিতে মন্দির স্থাপনের দাবিতে জবি ছাত্রদলের সংহতি
- শেষ মুহূর্তেও থামছে না বিদ্রোহীরা, নতুন কৌশল নিচ্ছে বিএনপি
- দেড় বছরে এক কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করার প্রতিশ্রুতি
- এপস্টেইন নথিতে বিল গেটসের নাম: মেলিন্ডা কি বললেন?
- লিবিয়ায় বাড়ির ভেতরে খুন হলেন গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল–ইসলাম
- এপস্টাইন ফাইল: ব্ল্যাকমেইল, ক্ষমতা এবং ভূ-রাজনীতির গোপন অস্ত্র
- মতামত জরিপ: আওয়ামী লীগের ভোটারদের ৪৮% ভোট এবার যাবে বিএনপিতে
- এআই চ্যাটবটের পরামর্শ প্রশ্ন ছাড়াই মানছেন ব্যবহারকারীরা
- এমসিসির নতুন আইনে শেষ ওভার ও বানি হপ ক্যাচে বড় বদল
- বাড়ল রুপার দাম, ভরিতে কত?
- ভুক্তভোগীদের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে এপস্টেইনের হাজারো নথি সরাল ডিওজ
- আজ বরিশাল ও ফরিদপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
- শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
- জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাক: বঙ্গভবন কর্মকর্তা আটক
- ক্রিকেটের রাজনীতি: মোস্তাফিজের ৯ কোটি গেছে, আইসিসির ৬ হাজার কোটি
- এলপিজি সংকট শিগগির কাটছে না, আমদানি কমেছে ২১ হাজার টন
- জবিতে কেন্দ্রীয় মন্দিরের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
- এস আলমের মামলা লড়তে সরকারের ব্যয় ঘণ্টায় দেড় লাখ টাকা
- ফেব্রুয়ারির প্রথম দুই দিনে রেমিট্যান্স ৩২ কোটি ৬০ লাখ ডলার
- সাফিকুর রহমানের স্থলে বিমানের নতুন এমডি ড. হুমায়রা সুলতানা
- নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মিন্টুর
- এআই চ্যাটবট গ্রকের বিরুদ্ধে নারী-শিশুর অশ্লীল ছবি তৈরির তদন্ত শুর
- প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই দেশ গড়া সম্ভব নয়: জাইমা রহমান
- মোবাইল কেনাবেচায় ডি-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক, সতর্ক করল বিটিআরসি
- বেসরকারি ইপিজেডগুলো এখন থেকে বেজার অধীনে পরিচালিত হবে
- ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
- সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হলে আবার বিপদে পড়ব: মির্জা ফখরুল
- চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
- ৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ১০,৯০৬ টাকা
- ১২ তারিখ ভোট বানচালের চেষ্টা করবে একটি শক্তি: নাহিদ ইসলাম
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: দুই দিন পর, কঠোর নিরাপত্তা
- জমে উঠেছে কুমিল্লা -২ এ নির্বাচনী প্রচারণা
- আগামীকাল লাকসাম স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল জনসভা
- নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শামসুজ্জোহা খানের পক্ষে প্রচারণ
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশ কমল, ডলারের শক্তিতে ধস
- অন্যের ভোটে হাত না দিতে সতর্ক করেছেন জামায়াত আমির
- লাকসাম গাজীমুড়া এলাকায় দাঁড়িপাল্লার ব্যানার ভাঙচুর
- ধানের শীষে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন সামিরা আজিম দোলা
- বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক-এর সভাপতি হলেন নূরে আলম
- জবি ইউট্যাবের নতুন ৩৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
- মধ্যপ্রাচ্যে তৎপরতা বাড়ালো ওয়াশিংটন, ইরানের পথে দ্বিতীয় নৌবহর
- গোবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন মসজিদ বিতর্কে যা জানালেন উপাচার্য
- কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ইলিয়াস হত্যা মামলার আসামী আটক।
- সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা চালু
- নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার ইস্যুতে ইসির নতুন সিদ্ধান্ত
- দুবাইয়ে প্রবাসীদের নিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার
- গান ছেড়ে দেওয়ার যা কারণ জানালেন অরিজিৎ সিং
- বিদেশি ঋণ নির্ভরতা: আগামী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ
- ভোটারের বয়স ১৬, এক কোটি কর্মসংস্থান ও চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিশ্রুত
- গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলে পালিয়ে বাড়ি গেলেন সুমি
- সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবসম্মত হওয়া প্রয়োজন: ফখরুল
- শিশির ভেজা পায়ে এলো হেমন্ত
- সামাজিক ব্যক্তিত্বে এগিয়ে আমেরিকা প্রবাসি আলহাজ্ব মনির আহমেদ
- শিল্পের কারিগর বাবুই পাখি
- ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় লোকোমোটিভ মাস্টার দায়ী: রেলমন্ত্রী
- ট্যাটু আঁকার নামে মেয়েদের সঙ্গে যা করতে বাদশাহ (ভিডিও)
- দেশ টিভির ডিএমডি আরিফ হাসানের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
- মোংলা ও পায়রায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রামে ৯
- মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
- আমার নামে অভিযোগ গুলো মিথ্যা ছিলো: আহসান হাবিব পেয়ার
- উল্লাপাড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, ইঞ্জিন ও বগিতে আগুন (ভিডিও)
- শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার সততা, সাহস ও আদর্শের মূর্ত প্রতীক
- বাংলাদেশে পিঁয়াজের কেজি ১৪০ টাকা, ভারতে ৬ রুপি বা ৮ টাকা
- কোরআন অবমাননা : সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
