আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:৪১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রদূত বিনিময়ে সম্মত ইসরাইল-মরক্কো

ইসরাইল ও মরক্কো তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস পর্যায়ে উন্নীত করতে সম্মত হয়েছে। এর আওতায় দুই দেশে থাকা কূটনৈতিক মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত করা এবং উভয় দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হবে।

বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার ও মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বৌরিতার বৈঠকে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়। বৈঠকটি আয়োজন করেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ।

বৈঠকে কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিনিয়োগ সুরক্ষা ও দ্বৈত কর পরিহার-সংক্রান্ত দুটি চুক্তি চূড়ান্ত করার ব্যাপারে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আওতায় মরক্কোর বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালনায় ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

আগামী কয়েক মাসে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের পারস্পরিক সফরের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মরক্কো ও ইসরাইলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থের অনুকূল এবং এটি শান্তির প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।

২০২০ সালে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন

মরক্কো ও ইসরাইলের বর্তমান সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয় ২০২০ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ওই বছরের ডিসেম্বরে দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়।

এর পর ২০২১ সালে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসরাইল লিয়াজোঁ কার্যালয় উদ্বোধন করে। এতদিন পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসের পরিবর্তে এই ধরনের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়ে আসছিল।

নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে রাবাত ও তেল আবিবে থাকা মিশনগুলো পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে রূপ নেবে এবং দুই দেশ রাষ্ট্রদূত বিনিময় করবে।

আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। একই প্রক্রিয়ায় মরক্কো সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করে। সুদানও ওই সময় ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়।

 

মন্তব্য করুন