তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগ্রহীত

আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) থেকে দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেবেন।

এটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রি-পাইলট প্রকল্পের আওতায় শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১ উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পাবেন।

এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। কার্ডধারীরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।

টাঙ্গাইল ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হলো: পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।

বৈঠক সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের নির্ভরযোগ্য পরিচয় নিশ্চিত হবে। কৃষি ভর্তুকি, ঋণ, বীজ-সার বিতরণসহ সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে। বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষক তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ কর্মসূচি কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন