তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:২৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

'ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে, দেশ নতুন প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরবে': অর্থমন্ত্রী

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ধাপে ধাপে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে পুনরায় টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের সময়োপযোগী সংস্কার ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে, যা খুব শিগগির প্রবৃদ্ধির নতুন গতি তৈরি করবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও প্রাক-শিল্প উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিল্প খাতের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় শিল্পভিত্তিক গবেষণা-উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আওতাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের’ অধীনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, দেশীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষকদের সরাসরি যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটিই প্রথম সরকারি পদক্ষেপ।

অর্থনীতির বর্তমান গতিপ্রকৃতি ও রূপরেখা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের সময় প্রাপ্ত ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার ইতিমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন নীতিগত নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা, নতুন নীতিমালা প্রণয়ন এবং কার্যকর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার সুফল অচিরেই পরিলক্ষিত হবে। এর পাশাপাশি তরুণদের কাজের উপযোগী করে তুলতে এবং দেশব্যাপী কর্মসংস্থান বাড়াতে নতুন দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবন কর্মসূচির অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী কর্মসূচি পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অর্থ বিভাগের সচিব ড. খাইরুজ্জামান মজুমদার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন জানান, শিল্পক্ষেত্রের উদ্ভাবনী নানা সমাধানের লক্ষ্যে জমা পড়া ১২৩টি প্রকল্পের মধ্য থেকে চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ১২টিকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়েছে। বিজয়ী ১২ জন গবেষক ও উদ্ভাবককে প্রয়োজনীয় তহবিল ও সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা তারা আগামী এক বছর শিল্প খাতের সুনির্দিষ্ট সমস্যা নিরসনে কাজে লাগাবেন।

অনুষ্ঠানে অর্থ সচিব বলেন, এডিবির সহযোগিতায় পরিচালিত এই উদ্যোগ দেশীয় শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সক্ষমতা তৈরিতে বড় অবদান রাখবে। অন্যদিকে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বাংলাদেশ সরকারের এই সময়োপযোগী উদ্যোগে এডিবির দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বহাল রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য করুন