প্রকাশিত: ৬ ঘন্টা আগে, ০৯:৫৭ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুমোদিত পরিমাণের বাইরে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সময়ে চীন ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্রয়প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) প্রক্রিয়ায় আগে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। অতিরিক্ত এই পরিমাণ ২০২৬ সালের জন্য আগে অনুমোদিত জিটুজি আমদানির পরিমাণের ১০ শতাংশের সমান। এর মধ্যে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল রয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এ আমদানিতে চীনের ইউনিপেক ও পেট্রোচায়না এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপিকে সরবরাহকারী হিসেবে রাখা হয়েছে।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদিত প্রস্তাবের মোট চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানির বিদ্যমান ৫০:৫০ অনুপাতের শর্তও শিথিল করা হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহের অংশ হিসেবে বৈঠকে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আরও একটি এলএনজি কার্গো কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। কার্গোটির সরবরাহ নভেম্বর ২০২৬-এ হওয়ার কথা।
বাংলাদেশের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির অনুমোদনও রয়েছে।
মন্তব্য করুন