প্রকাশিত: ৫৬ মিনিট আগে, ০৫:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মহেশখালীর দুই ভাসমান টার্মিনাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাড়ায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) উঠেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পেট্রোবাংলার হিসাবে এ সরবরাহ পাওয়া গেছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মোট ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১ হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর আমদানি করা এলএনজি বা আরএলএনজি থেকে এসেছে ৯৯০ মিলিয়ন ঘনফুট।
সোমবার রাত থেকেই এলএনজি সরবরাহ বাড়তে শুরু করে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের পরিমাণও বাড়ে।
পেট্রোবাংলার হিসাবে, সোমবার রাত ১০টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৫৮২ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস ছিল ১ হাজার ৬০২ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি ছিল ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট।
এর আগে একই দিন রাত ৮টায় মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৬২ মিলিয়ন ঘনফুট। ওই সময় আরএলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৭৬২ মিলিয়ন ঘনফুট।
সাম্প্রতিক সময়ে এক্সিলারেট এফএসআরইউতে (ভাসমান টার্মিনাল) দুর্ঘটনার কারণে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে যায়। বর্তমানে সরবরাহের পরিমাণ ওই দুর্ঘটনার আগের পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তবে গ্যাস সরবরাহ বাড়লেও মোট চাহিদার তুলনায় তা কম রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গত ৭ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
সেই হিসাবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সরবরাহ চাহিদার চেয়ে প্রায় ১ হাজার ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট কম।
গত ৭ সেপ্টেম্বর তিতুমীর জানিয়েছিলেন, দেশে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট দেশীয় গ্যাস এবং প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি পাওয়া গেলে মোট সরবরাহ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে থাকবে।
মঙ্গলবার দুপুরের পেট্রোবাংলার হিসাবে দেশীয় গ্যাস ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে।
মন্তব্য করুন