প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:৫৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সোমবার সকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতের সহযোগিতা নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাকালে নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় প্রযুক্তিগত সমর্থনের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। মন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও উন্নত প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।
সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সরকার। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। সাধারণ মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি এ খাতে মার্কিন সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং এ খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, দ্বিপক্ষীয় এই কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত রূপ নেবে।
মন্তব্য করুন