তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৩৪ মিনিট আগে, ০৪:১৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের ঘটনা সবাইকে কাঁদিয়েছে, অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেফতার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

রংপুরে সাবেক শিক্ষক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশেষ দোআ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, রংপুরের নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড দেশবাসীকে গভীরভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত করেছে। এমন ঘটনার পর দ্রততম সময়ে অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা জরুরি ছিল, অন্যথায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকত। হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ উদঘাটন করে অপরাধপ্রবণতার মূল উপড়ে ফেলতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।

দেশে আইনের শাসন সুসংহত করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে দ্রুত বিচার ও আইনের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধীদের বিচারে সোপর্দ করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রিজভী সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, দেশ থেকে সব ধরনের মাদকের বিস্তার রোধ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন কোনো মাদক কারবারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে ছাড় না পায়—এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করাই সফলতার মূল চাবিকাঠি। তাঁর দর্শনের মধ্য দিয়েই সমাজে ন্যায়বিচার ও একটি আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

বক্তব্যের শেষভাগে তিনি বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশংসা করে বলেন, সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা আজ জনগণ, গণমাধ্যম এবং তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে জবাবদিহি করছেন, যা শাসনব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

মন্তব্য করুন