লাকসামে দোকান চুরি-ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় উত্তাল বিজরা বাজার
লাকসাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৯:২৩ পিএম, ৩০ আগস্ট ২০২০ রোববার
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বাকই ইউপির বিজরা বাজারে আজ রবিবার সকালে লালমাই- চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মানব বন্ধন কর্মসূচী পালনে ব্যবসায়ী নেতাদের দেউলিয়াত্ব ভূমিকা নিয়ে ওই বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি ও ওই বাজার ব্যাবসায়ীদের নিরাপত্তায় উত্তাল এখন বিজরা বাজার।
স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী সুত্র জানায়, বিগত কয়েক মাস যাবৎ ওই ইউপির প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র বিজরা বাজারে প্রায় ১৮/২০টি দোকানে চুরি সংগঠিত হয়। রাজনৈতিক ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এ ব্যাপারে জানালেও তার কোন সুরাহা হয়নি বরং চুরির ঘটনা আরো প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবু তাহেরের সাথে বার বার ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা যোগাযোগ করার প্রেক্ষিতে মানববন্ধন করার সিদ্ধান্ত হয়। ফলে আজ রবিবার সকালে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবু তাহেরের নেতৃত্বে ওই সড়কের (বিজরা বাজারে) এক/ দেড়শত লোক নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তবে একাধিক পন্যের শাখা সমিতি থাকলেও ২/১টি সমিতি ছাড়া কেহই এ মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেয়নি। একাধিক দোকান চুরি ঘটনাকে বাজার পরিচালনা কমিটির দেউলিয়াত্ব ভূমিকা ও রাত্রীকালীন পাহরাদারদের লুকোচুরি খেলার ফসল এবং কেউ কেউ চুরির ঘটনা কে নাটকীয় ঘটনা বলেও অভিমত দেন। ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধনে ওই সড়কের দু’দিকে ব্যাপক যানঝট সৃষ্টি হলে সকল প্রকার যানবাহন আটকে পড়ে যাত্রীরা অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সুত্রগুলো আরো জানায়, এ মানববন্ধন কর্মসূচী ঘিরে বাজার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছে কেউ কেউ। ওই কর্মসূচীতে লোকজনের উপস্থিতি কম হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নানাহ বিতর্ক চলছে। এ ছাড়া ওয়ার্ড মেম্বার আবু তাহের কর্মসূচী শেষে কাউকে কিছু না বলে সটকে পড়ায় তার ভূমিকা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রশ্নবৃদ্ধ এবং নানাহ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা অনেকটাই বিব্রত।
এ ব্যাপারে বিজরা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম মিয়া জানায়, ব্যবসায়ীদের একাধিক দোকান চুরির ঘটনা সত্য। মানববন্ধন সম্পর্কে আমাকে কেউ জানায়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। ব্যবসায়ীদে কাছ থেকে অর্থ আদায় সম্পর্কে কিছুই জানিনা।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিজরা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল আউয়াল জানান, ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন কর্মসূচী কিংবা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। তবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখবো এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট সুপারিশ করবো।
