দ্রুত সংস্কার না হলে এই দুর্ভোগ আরো বাড়বে
তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৯:০৩ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২০ রোববার
লাকসাম বাইপাস। উপকূল বাসে উঠলাম।বাস উত্তরে না গিয়ে পূর্ব দিকে মোড় নিলো। নরপাটি,ফুলগাঁও রেখে সামনে যাচ্ছে। মাঝে বিভিন্ন স্থানে গর্তে পড়ে হেলেদুলে উঠছে। যাত্রীরা হৈ হৈ করে উঠছেন। বাসে গাছের ডাল-পালার আঘাত লাগছে।আমার কোন বিরক্তি নেই। ছোট রাস্তায় বড় গাড়ি প্রবেশ করলে তখন নিজেকে বরযাত্রী মনে হয়। ছোট মামার বিয়েতেও এরকম ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ি চড়ে নাঙ্গলকোটের নাওগোদা গিয়েছি। সেটি অবশ্য ১৯৯০ সালের কথা। নতুন স্মৃতির কথাও বলা যেতে পারে। ২০১৭সালের ঘটনা। ছেলে-মেয়ের নানার বাড়ির লোকজন জানালো বড় সড়ক, ডিস্ট্রিক্ট ট্রাক যায় আর বাস যাবে না? বর যাত্রার বাসের জন্য নাসির ভাইয়ের(সাংবাদিক নাসির উদ্দিন চৌধুরী) সহযোগিতা নিয়েছিলাম। তিনি সেই উপকূল বাসই ঠিক করেন। মগবাড়ি থেকে ঢুকতে গিয়ে বাস গাছের সাথে আটকে গেল। পরে অবশ্য ডাল-পালা ভেঙ্গে এগিয়ে গেল। আজও বাসে গাছের ডাল-পালার আঘাতে সেসব কথা মনে পড়ছিলো।আজ অবশ্য বরযাত্রার স্মৃতি বলতে আসেনি।আজ বাস গৈয়ার ভাঙ্গা,ভুশ্চি হয়ে এলো বাগমারা মূল সড়কে।কারণ লাকসাম মিশ্রীতে গর্তে ট্রাক আটকে গেছে। পাঁচ ঘন্টা সড়ক বন্ধ। পথে পথে মানুষের দুর্ভোগ। কোথাও কেউ নেই।সড়কটি সংস্কারের জন্য গণমাধ্যম কর্মীরা প্রতিনিয়তই লিখছেন। কিন্তু কোন সাড়া নেই।দ্রুত সংস্কার না হলে মানুষের এই দুর্ভোগ আরো বাড়বে।
