শনিবার   ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ১ ১৪৩২   ২৬ শা'বান ১৪৪৭

সস্ত্রীক করোনামুক্ত হলেন অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব

তরুণ কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত : ০৬:৪৪ পিএম, ২৭ জুন ২০২০ শনিবার

 

করোনামুক্ত হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক দম্পতি  অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল ও নুজহাত চৌধুরী।

শনিবার (২৭ জুন) বিএসএমএমইউ হাসপাতালের লিভার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর, এ দম্পতির জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় উপসনালয়ে দোয়া, মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল তাঁর ফেসবুকে লেখেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর ও অসাম্প্রদায়িক দেশ। একজন চিকিৎসক হিসেবে এ দেশের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ আরো বেড়ে গেল।’

অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল গত ১৩ জুন ও তাঁর স্ত্রী সহকারী অধ্যাপক নুজহাত চৌধুরী এবং অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে গত ১৪ জুন নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর, তাঁরা বাসাতেই চিকিৎসা নিয়েছেন।

করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে হাসপাতালে রোগী দেখার পাশাপাশি টেলিভিশনে টকশো এবং গণমাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যসচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন এ চিকিৎসক দম্পতি।

এ ছাড়া রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক উত্তম কুমার বড়ুয়া ও ডা. স্বপ্নীলের নেতৃত্বে ২০১৮ সালে গঠিত ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির চিকিৎসা সহায়ক কমিটি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কাজ করছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের দুর্যোগময় মুহূর্তে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়ার সুবিধার্থে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে ১০৮ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি প্যানেল সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

চক্ষু বিশেষজ্ঞ শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী নিজেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তাঁর মা শিক্ষাবিদ ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। নুজহাত নিজেও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং প্রজন্ম একাত্তরের প্রতিষ্ঠাতা সাংস্কৃতিক সম্পাদক।