শনিবার   ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ২ ১৪৩২   ২৬ শা'বান ১৪৪৭

মিস্কিডিমা : কারণ ও করণীয়

ডেস্ক নিউজ

কক্সবাজার সৈকত

প্রকাশিত : ০৫:৫৩ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৮ বুধবার

কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নিঃসরণ ব্যহত হলে মিস্কিডিমা দেখা দেয়।

জন্মের সময় থাইরক্সিনের অভাব হলে তাকে বলে ক্রেটিনিজম। জন্মকালে স্বাভাবিক, কিন্তু শৈশবে থাইরক্সিনের অভাব হলে তাকে বলে জুভেনাইল মিক্সিডিমা। প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে একে বলে মিক্সিডিমা।

লক্ষণ

মুখ ফুলে যাওয়া।
ত্বকে হলুদ রং দেখা দেয়।
ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়।
চুল পড়ে যেতে থাকে।
রোগ অবহেলা করলে ‘মিক্সিডিমা কোমা’ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর তাপমাত্রা কমে যায় এবং রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়।
রোগ নির্ণয়

সিরাম টি৩, টি৪, টিএন এইচ পরীক্ষা।
সিরাম কোলেস্টেরল।
চিকিৎসা

পছন্দনীয় ওষুধ হলো লেভোথাইরক্সিন। প্রবীণদের ক্ষেত্রে অথবা যাদের হৃদরোগ রয়েছে, তাদের স্বল্পমাত্রায় লেভোথাইরক্সিন সহকারে চিকিৎসা দিতে হবে। দৈনিক ২৫ থেকে ৫০ মাইক্রোগ্রাম এক সপ্তাহের জন্য। এরপর প্রতি এক থেকে দুই সপ্তাহে ২৫ মাইক্রোগ্রাম মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে।

অল্প বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এবং যাদের হৃদরোগ নেই, তাদের দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ মাইক্রোগ্রাম দেওয়া যেতে পারে। টিএসএইচ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতি এক থেকে তিন সপ্তাহে ২৫ মাইক্রোগ্রাম বাড়ানো যেতে পারে।

মিক্সিডিমা কোমার ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ৪০০ মাইক্রোগ্রাম শিরাপথে দিতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় হাইড্রোকরটিসন ১০০ মি. গ্রা. শিরাপথে দিতে হবে। এরপর ২৫ থেকে ৫০ গ্রাম প্রতি আট ঘণ্টা অন্তর দিতে হবে। তবে সব অবস্থাতেই ওষুধ সেবন করতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।