এমএলএসে মায়ামির প্রথম ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলসের কাছে ৩-০ হার
খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২:২৪ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রোববার
ইন্টার মায়ামির নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে লিওনেল মেসি খেলতে পারবেন কি না—এই প্রশ্ন ছিল সবার মনে। প্রাক-মৌসুম সফরে ইকুয়েডরে ৭ ফেব্রুয়ারি প্রীতি ম্যাচে বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন মেসি। যুক্তরাষ্ট্রে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) মায়ামির প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।
কিন্তু সেরে ওঠার প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে আগেই অনুশীলনে ফিরেছেন মেসি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি মায়ামির অনুশীলনে ফিরেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মেসিকে নিয়েই বাংলাদেশ সময় আজ সকালে এমএলএস লিগের নতুন মৌসুমে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলস এফসির মুখোমুখি হয় মায়ামি। কিন্তু শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি হাভিয়ের মাচেরানোর দলের। লস অ্যাঞ্জেলস এফসির কাছে ৩-০ গোলে হারে নতুন মৌসুম শুরু করল মায়ামি।
ম্যাচের চিত্র কাগজে-কলমে এটা ছিল লিগের সবচেয়ে শক্তিশালী দুই দলের ম্যাচ। লিগের সেরা দুই তারকার লড়াইও বলা যায়। মায়ামির একাদশে যেমন ছিলেন মেসি, তেমনি লস অ্যাঞ্জেলসের একাদশে ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা সন হিউং-মিন। তাতে জয়টা হয়েছে সনেরই।
৩৭ মিনিটে ডেভিড মার্তিনেজকে দিয়ে একটি গোল করান সন। ৭৩ মিনিটে ডেনিস বুয়োঙ্গা এবং ৯৪ মিনিটে নাথান ওরদাজ লস অ্যাঞ্জেলসের হয়ে বাকি দুটি গোল করেন। মেসি পুরো সময় মাঠে থেকেও ছিলেন নিজের ছায়া। বারবার বলের দখল হারিয়েছেন, দেখে মনে হয়েছে ছন্দে নেই। ৮৯ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
বিরতির পর এমএলএস কাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জালে আরও একটি গোল করাতে পারতেন সন। কিন্তু এমএলএসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়টির পাস থেকে গোল করতে পারেননি বুয়োঙ্গা। মেসি ও সনের লড়াই দেখার আগ্রহ থেকেই সম্ভবত লস অ্যাঞ্জেলসের মেমোরিয়াল কলোসিয়াম স্টেডিয়ামে ৭৬ হাজার দর্শক হয়েছিল। এমএলএসের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সহজ সুযোগ থেকে মেসির গোল করতে না পারায় দর্শক অবশ্য হতাশ হতে পারেন। চলতি বছর এটাই ছিল মেসির প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ। ম্যাচের পর ম্যাচ শেষে লস অ্যাঞ্জেলসের ফরাসি ফরোয়ার্ড ডেনিস বুয়োঙ্গার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন মেসি।
মায়ামির এই হার নতুন মৌসুমে চ্যাম্পিয়নশিপের পথে প্রথম ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মেসির ফর্ম ফিরে পাওয়ার ওপরই দলের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করবে।
