এবার রমজানে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দিবে সরকার
তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন
প্রকাশিত : ০৪:৪১ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল ধর্মীয় খাতের উন্নয়ন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানী ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে নতুন সরকার। শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় এই কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের কয়েকটি এলাকায় এই সম্মানী ভাতা প্রদান শুরু করা হবে। প্রাথমিক ধাপ সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল মসজিদের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনরা এই ভাতার আওতায় আসবেন।
সম্মানী হিসেবে কত টাকা প্রদান করা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, অর্থের পরিমাণ এখনো সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। এ বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করে একটি সম্মানজনক ভাতার পরিমাণ চূড়ান্ত করা হবে। এ সময় স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের পর এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃতীয় কর্মদিবস। তবে আজই তিনি প্রথমবারের মতো তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, অফিসে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পুরাতন কর্মীদের খোঁজখবর নেন। এরপরই তিনি নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের জরুরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী কেবল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই নয়, বরং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজ নিজ দপ্তরের পলিসি কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেছেন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রীও তাঁর মন্ত্রণালয়কে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা সরকারের সামগ্রিক শুদ্ধি অভিযানেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
