ভূমিকম্পে একসঙ্গে কাঁপল আরও দুই দেশ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০:৪৯ এএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
ছবি এআই
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অনুভূত হওয়া এ ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৮ ছিল। একই দিনে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) ও পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকায়ও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেখানকার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি কাবুল থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার (৮০ মাইল) উত্তর-পূর্বে আঘাত হেনেছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর পশ্চিমে অবস্থিত বামিয়ান প্রদেশ ও ওয়ারদাক প্রদেশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা কম্পন অনুভব করেছেন। প্রায়শই আফগানিস্তানে ভূমিকম্প ঘটে, বিশেষ করে হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চলে। এই এলাকা ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থল হওয়ায় ভূকম্পন বেশি অনুভূত হয়।
২০২৫ সালের আগস্টে পূর্বাঞ্চলে ৬ মাত্রার অগভীর ভূমিকম্পে পাহাড়ি গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২,২০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হন। এর কয়েক সপ্তাহ পর উত্তর আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে অন্তত ২৭ জন নিহত হন। ২০২৩ সালে ইরান সীমান্তবর্তী পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত এলাকায় এবং ২০২২ সালে নানগারহার প্রদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পে শত শত মানুষ প্রাণ হারান এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়।
পাকিস্তানে কম্পন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) ও পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে। এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার।
শাংলা, সোয়াত, মারদান, সোয়াবি এবং নওশেরায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। হিন্দুকুশ অঞ্চলের ভূমিকম্প প্রায়ই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একইসঙ্গে অনুভূত হয়। এই অঞ্চল টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয়তার কারণে ভূমিকম্পপ্রবণ।
