সংসদ ভবনে প্রবেশ শুরু করেছেন নবনির্বাচিত এমপিরা,শপথ শুরু আজ ১০টায়
প্রকাশিত : ১০:০৯ এএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
ছবি সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যরা আজ সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সংসদ ভবনের গেটে নবনির্বাচিত এমপিদের গাড়ি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
তারা শপথ নেবেন আজ সকাল ১০টায়। শপথকক্ষে শপথ অনুষ্ঠান হবে। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। রেওয়াজ অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির শপথ আগে পড়ানো হবে। সেই অনুযায়ী সকাল ১০টায় বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন।
এদিকে শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সংসদ ও তার চারপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেছে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন, ভেতরে প্রবেশের সময় তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে।
টানা তিনটি সংসদ অর্থাৎ ১৫ বছর পর বিএনপির নেতারা সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন। ২০১৪ এবং ২০২৪ সালের দুটি নির্বাচন বয়কট এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও দুপুরে কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বয়কট করে বিএনপি। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রী ও পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেবেন। এতে দেশ-বিদেশের হাজারও অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকছেন। এরমধ্যে রয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের প্রতিনিধি এবং সার্কভুক্ত অন্যান্য ৬টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রতিনিধি।
অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুলিপি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার ও পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি), বিজিবি, র্যাব ও কোস্টগার্ডসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মহাপরিচালকরা।
নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী, বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। বাকি আসনগুলোতে জয় পেয়েছেন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। আজকের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানীতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
