কারচুপি-ভয়ভীতি সত্ত্বেও নিরঙ্কুশ বিজয় আসছেঃ মাহদী আমিন
তরুণ কণ্ঠ অনলাইন
প্রকাশিত : ০৮:২৪ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপি, কালোটাকা বিতরণ, জাল ভোট ও ভোটারদের মনে ভয় ছড়ানোর অভিযোগ করেছে বিএনপি। তবে এসবের পরও দলটি নিরঙ্কুশ বিজয় পেতে চলেছে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
মাহদী আমিন বলেন, চিহ্নিত রাজনৈতিক দলটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে এমনভাবে ব্যবহার করেছে, যাতে ভোটারদের মনে ভোট বিষয়ে একধরনের ভীতি তৈরি হয়। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, বিএনপির বিজয় অনিবার্য ও নিরঙ্কুশ। সেটিকে স্তিমিত করার কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না বলেই বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তিনি সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান। নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় যাঁরা আহত ও নানা কারণে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি বিএনপির পক্ষ থেকে সমবেদনা জানান।
মাহদী আমিন ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিএনপির নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে: ‘ভোটের ফলাফল নিশ্চিত করার আগে কেউ যাতে ভোটকেন্দ্র ত্যাগ না করেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল রাত থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতা, কারচুপি ও কালোটাকার মহোৎসব হয়েছে। অনেক জায়গায় আগে থেকেই সিল মারা ব্যালট পাওয়া গেছে। জাল ভোট দেওয়া হয়েছে, মৃত মানুষের ভোট দেওয়ার অভিযোগও এসেছে। অনেকে নিজেদের ভোট দিতে পারেননি।
মাহদী আমিন বলেন, ‘এসব ঘটনা প্রমাণ করে, ফ্যাসিবাদী আমলের মতোই একজনের ভোট অন্যজন দেওয়ার অপসংস্কৃতি এখনো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, চিহ্নিত রাজনৈতিক দলটি অনেক জায়গায় ভুয়া পর্যবেক্ষক তৈরির মাধ্যমে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ক্ষেত্রবিশেষে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিলেও সেটি আরও আন্তরিক ও সামগ্রিক হলে এ ধরনের অপচেষ্টা রোধ করা যেত।
ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর ও সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। এখন ভোট গণনা চলছে। বিএনপির নেতৃত্বে দলটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, ধানের শীষে জোয়ারে বিএনপির বিজয় হবে এবং গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত হবে।
