রুমিনের অভিযোগে ৯টি ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে
তরুণ কণ্ঠ অনলাইন
প্রকাশিত : ১১:৪৩ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার
বিনা কারণে তিন কর্মীকে আটক ও নয়টি ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে শাহবাজপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন। ভোট কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, “ভোট শুরু হয়েছে দুই ঘণ্টা হয়েছে। সারা দিনের ভোট বাকি। ফলে এখনই বলা যাবে না।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার তিনজন কর্মীকে বিনা দোষে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া নয়টি ভোটকেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি পুলিশ, আর্মি ও প্রশাসনকে জানিয়েছি।” খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত একটার পর আশুগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে আনোয়ার হোসেন মৃধা ও নূর আলমকে আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে আশুগঞ্জের দুর্গাপুর ইউনিয়নের সোহাগপুর আছিয়া সফিউদ্দীন আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা নাছির মুন্সিকে আটক করে পুলিশ। তাঁরা তিনজন রুমিন ফারহানার পক্ষের কর্মী।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁদের আটক করা হয়েছে। আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আটজন। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মধ্যে।
জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা গত রোববার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। রুমিন ফারহানার এই অভিযোগ নির্বাচনের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ভোটারদের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
