বুধবার   ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৯ ১৪৩২   ২৩ শা'বান ১৪৪৭

ভোটের দিন ও তার আগে-পরে যান চলাচলের বিধিনিষেধ-ইসির নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ১০:১৭ এএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার

ছবি এ আই

ছবি এ আই

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোট গ্রহণের দিন এবং এর আগে–পরে যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এ ছাড়া আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

 

যা যা চলাচল বন্ধ থাকবে

 

  • ট্যাক্সি ক্যাব
  • পিকআপ
  • মাইক্রোবাস
  • ট্রাক

 

আগামী দুই দিন  যা যা চলাচল শিথিল/অনুমোদিত থাকবে:

 

  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন
  • জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (ওষুধ, স্বাস্থ্য–চিকিৎসা, সংবাদপত্র বহনকারী)
  • বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়স্বজনের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী/থেকে আসা যানবাহন (টিকিট/প্রমাণ দেখাতে হবে)
  • দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যেকোনো যানবাহন
  • প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস)
  • সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ যানবাহন (ইসি/রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে)
  • নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল
  • টেলিযোগাযোগ সেবা (বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন)

 

বিশেষ ক্ষমতা স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করতে পারবেন। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা ঢোকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। এই বিধিনিষেধের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটের দিন নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।