মঙ্গলবার   ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৮ ১৪৩২   ২২ শা'বান ১৪৪৭

ভোটের দিন যেসব যানবাহন চলতে পারবে

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত : ০৬:৩৭ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের রাত থেকে ২৪ ঘণ্টা সড়ক ও নৌপথে যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মোটরসাইকেল বন্ধ থাকবে তিন দিন। তবে কিছু যান চলাচল নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্তও রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে:

“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ ও মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।”

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কিছু যানবাহন এবং কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত:

“আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন; আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমানবন্দর থেকে যাত্রী বা আত্মীয়-স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকিট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যেকোনো যানবাহন; প্রার্থীর জন্য ১টি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) ১টি গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবেন।”

 

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন/মোটরসাইকেলের চলাচলও অনুমোদনযোগ্য হবে।

“নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল চলাচল, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এ ছাড়া জাতীয় মহাসড়ক (হাইওয়েজ), বন্দর ছাড়াও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাইরে বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা এ ধরনের সব রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।”

 

নিষেধাজ্ঞা নৌপথেও একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।